ঢাকা    সোমবার, ১১ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা



শেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

শেরপুর জেলা শহরের খরমপুর মহল্লায় গলায় ফাঁস দিয়ে মোঃ মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম (১৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ মে) বিকেলে শেরপুর পৌরসভার খরমপুর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মাহিম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোস্তফা কামালের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-এর এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মা রওশন আরা সদর উপজেলার হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালেও রওশন আরা তার ছেলেকে বাসায় রেখে বিদ্যালয়ে কর্মস্থলে যান। বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লিডার রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা দেখতে পান, মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিলেন। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে মোঃ সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


শেরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

শেরপুর জেলা শহরের খরমপুর মহল্লায় গলায় ফাঁস দিয়ে মোঃ মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম (১৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১১ মে) বিকেলে শেরপুর পৌরসভার খরমপুর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মাহিম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোস্তফা কামালের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ-এর এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মা রওশন আরা সদর উপজেলার হরিণধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালেও রওশন আরা তার ছেলেকে বাসায় রেখে বিদ্যালয়ে কর্মস্থলে যান। বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। অনেক ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লিডার রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা দেখতে পান, মোবাশ্বির আহমেদ মাহিম গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিলেন। পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে মোঃ সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ