চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলিপুর রহমানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুর রহমান বাবরের বিরুদ্ধে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সপ্তাহের রবি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় কোনো ক্লাসেই উপস্থিত থাকেন না। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ সময় অধ্যক্ষ সাইফুর রহমান বাবরকে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের গোপনীয় শাখা কিংবা সহকারী শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অফিসিয়াল কোনো প্রয়োজন ছাড়াই তিনি প্রায়ই সেখানে গিয়ে সময় কাটান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক ও অভিভাবক অভিযোগ করেন, একজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তার নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা প্রয়োজন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ডঃ সেলিম রেজা বলেন, “তাকে কোনো শিক্ষা অফিসারই শুধরাতে পারেননি। তার ভুল ধরিয়ে দিলেও তিনি কখনো তা স্বীকার করেন না।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ সাইফুর রহমান বাবরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুমিন বলেন, “তাকে কোনো কাজেই উপজেলায় ডাকা হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলিপুর রহমানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুর রহমান বাবরের বিরুদ্ধে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সপ্তাহের রবি থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রায় কোনো ক্লাসেই উপস্থিত থাকেন না। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ সময় অধ্যক্ষ সাইফুর রহমান বাবরকে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের গোপনীয় শাখা কিংবা সহকারী শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অফিসিয়াল কোনো প্রয়োজন ছাড়াই তিনি প্রায়ই সেখানে গিয়ে সময় কাটান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক ও অভিভাবক অভিযোগ করেন, একজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তার নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা প্রয়োজন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ডঃ সেলিম রেজা বলেন, “তাকে কোনো শিক্ষা অফিসারই শুধরাতে পারেননি। তার ভুল ধরিয়ে দিলেও তিনি কখনো তা স্বীকার করেন না।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ সাইফুর রহমান বাবরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুমিন বলেন, “তাকে কোনো কাজেই উপজেলায় ডাকা হয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন