সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুর বাজারে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি ট্রাকের চাপায় তুহিন (১২) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত তুহিন জালালপুর ইউনিয়নের বাদেশপুর গ্রামের সিএনজি অটোরিকশা চালক গেদন মিয়ার একমাত্র ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে জালালপুর বাজারের ‘স্বাদ’ মিষ্টিঘরে কর্মচারী হিসেবে কাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় তুহিন দোকানের কাজ শেষে বাজার এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয় তুহিন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজার এলাকায় মুহূর্তেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী ঘাতক ট্রাকটি আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
তুহিনের মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবা-মা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের অনেকেই বলেন, অল্প বয়সেই পরিবারের সহায়তার জন্য কাজ করত তুহিন। তার এমন মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী জালালপুর বাজার এলাকায় ভারী যানবাহন চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুর বাজারে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি ট্রাকের চাপায় তুহিন (১২) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত তুহিন জালালপুর ইউনিয়নের বাদেশপুর গ্রামের সিএনজি অটোরিকশা চালক গেদন মিয়ার একমাত্র ছেলে। সে দীর্ঘদিন ধরে জালালপুর বাজারের ‘স্বাদ’ মিষ্টিঘরে কর্মচারী হিসেবে কাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় তুহিন দোকানের কাজ শেষে বাজার এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয় তুহিন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজার এলাকায় মুহূর্তেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী ঘাতক ট্রাকটি আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
তুহিনের মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবা-মা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের অনেকেই বলেন, অল্প বয়সেই পরিবারের সহায়তার জন্য কাজ করত তুহিন। তার এমন মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী জালালপুর বাজার এলাকায় ভারী যানবাহন চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন