নাটোরের লালপুর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে মোছাঃ শাবনুর খাতুন (২৭) নামের এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গত ১০ মে উপজেলার নাগদহ গ্রামের এই ঘটনা ঘটে। তিনি মোঃ ছাদিকুর রহমান বিশ্বাসের মেয়ে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শাবনুর খাতুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে চিকিৎসাও করানো হচ্ছিল। ঘটনার দিন সকালে তিনি স্বাভাবিকভাবে খাবার গ্রহণ করেন এবং এরপর নিজ শয়নকক্ষে চলে যান। অনেকক্ষণ ধরে কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সন্দেহ করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখা যায়, তিনি ঘরের তীরের সাথে সবুজ রঙের প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছেন।
পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন, তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে মৃতার পিতা মোঃ ছাদিকুর রহমান বিশ্বাস লিখিতভাবে থানায় অবহিত করেন। তার আবেদনের ভিত্তিতে লালপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে, যার মামলা নম্বর ২৮/২৬ এবং তারিখ ১০/০৫/২০২৬ খ্রিঃ।
লালপুর থানার এসআই মজিবর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত করেন এবং প্রাথমিকভাবে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানা যায়।
আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
নাটোরের লালপুর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে মোছাঃ শাবনুর খাতুন (২৭) নামের এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গত ১০ মে উপজেলার নাগদহ গ্রামের এই ঘটনা ঘটে। তিনি মোঃ ছাদিকুর রহমান বিশ্বাসের মেয়ে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শাবনুর খাতুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে চিকিৎসাও করানো হচ্ছিল। ঘটনার দিন সকালে তিনি স্বাভাবিকভাবে খাবার গ্রহণ করেন এবং এরপর নিজ শয়নকক্ষে চলে যান। অনেকক্ষণ ধরে কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সন্দেহ করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখা যায়, তিনি ঘরের তীরের সাথে সবুজ রঙের প্লাস্টিকের দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছেন।
পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন, তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে মৃতার পিতা মোঃ ছাদিকুর রহমান বিশ্বাস লিখিতভাবে থানায় অবহিত করেন। তার আবেদনের ভিত্তিতে লালপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে, যার মামলা নম্বর ২৮/২৬ এবং তারিখ ১০/০৫/২০২৬ খ্রিঃ।
লালপুর থানার এসআই মজিবর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত করেন এবং প্রাথমিকভাবে বিষয়টি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানা যায়।
আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন