“সারা জীবন পড়লেও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে পুরোপুরি বোঝা বা নতুনভাবে আবিষ্কার করা সম্ভব নয়”—এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় নওগাঁর পতিসরে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সাহিত্য, দর্শন, সংগীত ও মানবতাবাদ- সব ক্ষেত্রেই রবীন্দ্রনাথের বিচরণ ছিল গভীর ও বিস্তৃত। তাঁর সৃষ্টি এতটাই সমৃদ্ধ যে, এক জীবনে তা সম্পূর্ণভাবে অনুধাবন করা কঠিন। তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও তিনি ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দার্শনিক।
মন্ত্রী বলেন, কবিগুরু পতিসরে এসে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা আজও অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি কৃষি ব্যাংকিং ধারণা এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করেছিলেন, যা পরবর্তীতে কৃষি উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। বর্তমান সরকারও সেই দর্শনকে ধারণ করে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় নওগাঁ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
এছাড়া নওগাঁ জেলার বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই–রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম, নওগাঁ-১ আসনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনের ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের ডা. ইকরামুল বারী টিপু এবং নওগাঁ-৫ আসনের মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, পতিসরসহ রবীন্দ্রনাথের কর্মস্থলগুলো শুধু ঐতিহ্য নয়, এগুলো দেশের সাংস্কৃতিক ও কৃষিভিত্তিক উন্নয়নের ইতিহাসের অংশ।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
“সারা জীবন পড়লেও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে পুরোপুরি বোঝা বা নতুনভাবে আবিষ্কার করা সম্ভব নয়”—এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় নওগাঁর পতিসরে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সাহিত্য, দর্শন, সংগীত ও মানবতাবাদ- সব ক্ষেত্রেই রবীন্দ্রনাথের বিচরণ ছিল গভীর ও বিস্তৃত। তাঁর সৃষ্টি এতটাই সমৃদ্ধ যে, এক জীবনে তা সম্পূর্ণভাবে অনুধাবন করা কঠিন। তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও তিনি ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দার্শনিক।
মন্ত্রী বলেন, কবিগুরু পতিসরে এসে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা আজও অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি কৃষি ব্যাংকিং ধারণা এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করেছিলেন, যা পরবর্তীতে কৃষি উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। বর্তমান সরকারও সেই দর্শনকে ধারণ করে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় নওগাঁ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
এছাড়া নওগাঁ জেলার বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই–রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম, নওগাঁ-১ আসনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনের ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের ডা. ইকরামুল বারী টিপু এবং নওগাঁ-৫ আসনের মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, পতিসরসহ রবীন্দ্রনাথের কর্মস্থলগুলো শুধু ঐতিহ্য নয়, এগুলো দেশের সাংস্কৃতিক ও কৃষিভিত্তিক উন্নয়নের ইতিহাসের অংশ।

আপনার মতামত লিখুন