সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি একটি পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়নের জোরালো দাবি জানিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। আজ রোববার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন। ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, দেশে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কেবল আইন থাকলেই হবে না, বরং তার যথাযথ ও আপসহীন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে লাইসেন্সবিহীন চালক এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভায় সড়কে তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান মৃত্যু নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, বর্তমানে তরুণদের মধ্যে ট্রাফিক আইন অমান্য করে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ হেলমেট ব্যবহার না করার ফলে সাধারণ দুর্ঘটনাও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি জাতিসংঘের 'সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ' অনুসরণ করে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন দ্রুত প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, বর্তমান সড়ক পরিবহন আইনটি মূলত পরিবহন ব্যবস্থাপনার ওপর বেশি জোর দিলেও সামগ্রিক সড়ক নিরাপত্তার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও আধুনিক আইনি কাঠামোর অভাব রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) মুনতাসিরুল ইসলাম সড়কের প্রাণহানির প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন করে টেকসই সমাধান খোঁজার ওপর জোর দেন। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি ড. এস এম খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সবশেষে এমপি নওশাদ জমির আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অচিরেই বাংলাদেশের সড়কগুলো নিরাপদ হয়ে উঠবে এবং অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিদ্যমান আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি একটি পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়নের জোরালো দাবি জানিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। আজ রোববার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন। ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, দেশে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কেবল আইন থাকলেই হবে না, বরং তার যথাযথ ও আপসহীন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে লাইসেন্সবিহীন চালক এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভায় সড়কে তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান মৃত্যু নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, বর্তমানে তরুণদের মধ্যে ট্রাফিক আইন অমান্য করে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ হেলমেট ব্যবহার না করার ফলে সাধারণ দুর্ঘটনাও প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি জাতিসংঘের 'সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ' অনুসরণ করে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন দ্রুত প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, বর্তমান সড়ক পরিবহন আইনটি মূলত পরিবহন ব্যবস্থাপনার ওপর বেশি জোর দিলেও সামগ্রিক সড়ক নিরাপত্তার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও আধুনিক আইনি কাঠামোর অভাব রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) মুনতাসিরুল ইসলাম সড়কের প্রাণহানির প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন করে টেকসই সমাধান খোঁজার ওপর জোর দেন। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি ড. এস এম খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তারা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সবশেষে এমপি নওশাদ জমির আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অচিরেই বাংলাদেশের সড়কগুলো নিরাপদ হয়ে উঠবে এবং অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন