ফুকুশিমা ও চেরনোবিলের মতো অতীত পারমাণবিক দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রুশ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এ ধরনের তৃতীয় প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম— প্রায় ১০ লাখ বছরে একবার। তবুও নিরাপত্তা প্রস্তুতিতে কোনো ছাড় রাখা হয়নি। ২০১১ সালে জাপানের Fukushima Daiichi nuclear disaster এবং এর আগে ইউক্রেনের Chernobyl disaster, যুক্তরাষ্ট্রের Three Mile Island accident ও SL-1 accident–এর মতো ঘটনাগুলো বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। তবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে এখন ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রূপপুর কেন্দ্রে কোনো অভ্যন্তরীণ ত্রুটি দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সেটি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের ভেতরে ভূগর্ভস্থ একটি নিরাপত্তা কক্ষ বা ইভাকুয়েশন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে, যেখানে প্রায় আড়াই হাজার কর্মী অন্তত তিন দিন নিরাপদে থাকতে পারবেন। কেন্দ্রের বাইরে গ্রিন সিটিতেও আরেকটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ রাখা হয়েছে, যেখান থেকে পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশের পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্কবার্তা দিতে ৬৪টি সাইরেন টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এখনো কিছু উদ্বেগ রয়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনায় কী ধরনের ঝুঁকি হতে পারে এবং কীভাবে নিরাপদ থাকতে হবে— সে বিষয়ে আরও সচেতনতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বলেন, কোনো বড় জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে সেটি জাতীয় পর্যায়ের সংকটে পরিণত হবে এবং সরকার তখন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ফুকুশিমা ও চেরনোবিলের মতো অতীত পারমাণবিক দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রুশ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এ ধরনের তৃতীয় প্রজন্মের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম— প্রায় ১০ লাখ বছরে একবার। তবুও নিরাপত্তা প্রস্তুতিতে কোনো ছাড় রাখা হয়নি। ২০১১ সালে জাপানের Fukushima Daiichi nuclear disaster এবং এর আগে ইউক্রেনের Chernobyl disaster, যুক্তরাষ্ট্রের Three Mile Island accident ও SL-1 accident–এর মতো ঘটনাগুলো বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। তবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে এখন ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রূপপুর কেন্দ্রে কোনো অভ্যন্তরীণ ত্রুটি দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সেটি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের ভেতরে ভূগর্ভস্থ একটি নিরাপত্তা কক্ষ বা ইভাকুয়েশন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে, যেখানে প্রায় আড়াই হাজার কর্মী অন্তত তিন দিন নিরাপদে থাকতে পারবেন। কেন্দ্রের বাইরে গ্রিন সিটিতেও আরেকটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ রাখা হয়েছে, যেখান থেকে পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশের পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্কবার্তা দিতে ৬৪টি সাইরেন টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এখনো কিছু উদ্বেগ রয়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনায় কী ধরনের ঝুঁকি হতে পারে এবং কীভাবে নিরাপদ থাকতে হবে— সে বিষয়ে আরও সচেতনতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বলেন, কোনো বড় জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে সেটি জাতীয় পর্যায়ের সংকটে পরিণত হবে এবং সরকার তখন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন