শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার উত্তর বাইকশা এলাকায় মাতৃত্বের এক বিরল ও হৃদয়স্পর্শী দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। আজ ১০ মে ২০২৬, বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষ্যে যখন সারা দেশ মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, তখন নিজের অসুস্থ ছেলেকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দান করে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিলেন এক অদম্য মা। পেশায় শিক্ষিকা এই মহীয়সী নারী নাসিমা সুলতানার ছেলে নাসিম জাহান আকাশ দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি বিকলজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি আকাশের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা জানান যে তার দুটি কিডনিই প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে এবং তাকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।
ছেলের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়াই এগিয়ে আসেন মা নাসিমা সুলতানা এবং নিজেই কিডনি দাতা হওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। প্রয়োজনীয় সব মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার কিডনি ছেলের শরীরের জন্য উপযুক্ত বলে প্রমাণিত হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে মা ও ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন এবং তারা চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আকাশ ফিরে পেয়েছেন স্বাভাবিক জীবনের সম্ভাবনা।
জাজিরার এই ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব মহলে প্রশংসার জোয়ার বইছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে নাসিমা সুলতানা কেবল একজন মা নন, বরং তিনি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক জীবন্ত প্রতীক। একজন শিক্ষিকা হিসেবে তিনি যেমন সমাজ আলোকিত করেন, তেমনি মা হিসেবে নিজের অঙ্গ বিলিয়ে দিয়ে তিনি মাতৃত্বের শ্রেষ্ঠত্ব ও ‘মা’ শব্দের মহিমা নতুন করে প্রমাণ করলেন। চিকিৎসকরাও এই ঘটনাকে ত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, যা অঙ্গদানের মতো মহৎ কাজে অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার উত্তর বাইকশা এলাকায় মাতৃত্বের এক বিরল ও হৃদয়স্পর্শী দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। আজ ১০ মে ২০২৬, বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষ্যে যখন সারা দেশ মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, তখন নিজের অসুস্থ ছেলেকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দান করে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিলেন এক অদম্য মা। পেশায় শিক্ষিকা এই মহীয়সী নারী নাসিমা সুলতানার ছেলে নাসিম জাহান আকাশ দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি বিকলজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি আকাশের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা জানান যে তার দুটি কিডনিই প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে এবং তাকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে কিডনি প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।
ছেলের এই সংকটাপন্ন অবস্থায় কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়াই এগিয়ে আসেন মা নাসিমা সুলতানা এবং নিজেই কিডনি দাতা হওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন। প্রয়োজনীয় সব মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার কিডনি ছেলের শরীরের জন্য উপযুক্ত বলে প্রমাণিত হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে মা ও ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন এবং তারা চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আকাশ ফিরে পেয়েছেন স্বাভাবিক জীবনের সম্ভাবনা।
জাজিরার এই ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব মহলে প্রশংসার জোয়ার বইছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে নাসিমা সুলতানা কেবল একজন মা নন, বরং তিনি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক জীবন্ত প্রতীক। একজন শিক্ষিকা হিসেবে তিনি যেমন সমাজ আলোকিত করেন, তেমনি মা হিসেবে নিজের অঙ্গ বিলিয়ে দিয়ে তিনি মাতৃত্বের শ্রেষ্ঠত্ব ও ‘মা’ শব্দের মহিমা নতুন করে প্রমাণ করলেন। চিকিৎসকরাও এই ঘটনাকে ত্যাগের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, যা অঙ্গদানের মতো মহৎ কাজে অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন