রাজধানীর ফুটপাতে হকার নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে হকারদের বৈধতা দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি নির্দিষ্ট স্থানে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ফুটপাতের পাশাপাশি কিছু সড়কে সাদা দাগ টেনে হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থান চিহ্নিত করছে। গুলিস্তান ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে এ ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্তে অসন্তোষ জানিয়েছেন হকাররা। তাদের দাবি, খোলা জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা কঠিন এবং বরাদ্দকৃত ৫০ ইঞ্চি জায়গায় পণ্য রাখা ও ব্যবসা করা সম্ভব নয়। হকারদের কারণে ক্ষতির অভিযোগ তুলেছেন আশপাশের মার্কেট ব্যবসায়ীরাও। তাদের মতে, সড়কে হকার বসলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, অনুমোদনপ্রাপ্ত হকারদের নির্ধারিত স্থানেই বসতে হবে। এর বাইরে কেউ বসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হকার পুনর্বাসনের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করেছে। কোরবানির ঈদের পর ফুটপাত না ছাড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নগরবিদরা বলছেন, এসব উদ্যোগ সাময়িক সমাধান হতে পারে, তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য সমন্বিত নগর পরিকল্পনা প্রয়োজন। পথচারীদের চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি হকারদের জন্য পরিকল্পিত নির্দিষ্ট স্থান তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন তারা। নগরবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, পুরোনো পরিকল্পনাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পরিকল্পনার পাশাপাশি চাঁদাবাজি বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছাও জরুরি।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
রাজধানীর ফুটপাতে হকার নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে হকারদের বৈধতা দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি নির্দিষ্ট স্থানে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ফুটপাতের পাশাপাশি কিছু সড়কে সাদা দাগ টেনে হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থান চিহ্নিত করছে। গুলিস্তান ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে এ ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে। তবে এ সিদ্ধান্তে অসন্তোষ জানিয়েছেন হকাররা। তাদের দাবি, খোলা জায়গায় ব্যবসা পরিচালনা কঠিন এবং বরাদ্দকৃত ৫০ ইঞ্চি জায়গায় পণ্য রাখা ও ব্যবসা করা সম্ভব নয়। হকারদের কারণে ক্ষতির অভিযোগ তুলেছেন আশপাশের মার্কেট ব্যবসায়ীরাও। তাদের মতে, সড়কে হকার বসলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, অনুমোদনপ্রাপ্ত হকারদের নির্ধারিত স্থানেই বসতে হবে। এর বাইরে কেউ বসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হকার পুনর্বাসনের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করেছে। কোরবানির ঈদের পর ফুটপাত না ছাড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নগরবিদরা বলছেন, এসব উদ্যোগ সাময়িক সমাধান হতে পারে, তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য সমন্বিত নগর পরিকল্পনা প্রয়োজন। পথচারীদের চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি হকারদের জন্য পরিকল্পিত নির্দিষ্ট স্থান তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন তারা। নগরবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, পুরোনো পরিকল্পনাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পরিকল্পনার পাশাপাশি চাঁদাবাজি বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছাও জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন