ঢাকা    রোববার, ১০ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বিশ্ব মা দিবস: মমতা, ভালোবাসা আর নিরাপত্তার চিরন্তন বন্ধন


নিজস্ব প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬

বিশ্ব মা দিবস: মমতা, ভালোবাসা আর নিরাপত্তার চিরন্তন বন্ধন
ছবি : সংগৃহীত

‘মা’—মাত্র এক অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ। অথচ এই ছোট্ট শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব মায়া, মমতা, স্নেহ, ভালোবাসা আর নিরাপত্তার অনুভূতি। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর ও শ্রুতিমধুর শব্দগুলোর একটি বলেও বিবেচনা করা হয় এই শব্দকে। আজ সেই মায়েদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানানোর দিন—বিশ্ব মা দিবস।

প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মা দিবস। সে হিসাবে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে আজ, ১০ মে।

মা দিবসের আধুনিক ধারণার সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯০৮ সালে আন্না জার্ভিস নামের এক নারী প্রথমবারের মতো তাঁর মায়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিবসটি পালন করেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান থেকেই ধীরে ধীরে মা দিবসের প্রচলন শুরু হয়।

পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মাদারস ডে’ হিসেবে ঘোষণা দেন। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

মানুষের জীবনে মায়ের ভূমিকা অনন্য। জন্মের পর থেকে সন্তানের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, মূল্যবোধ গঠন ও জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও, মা দিবস সেই অনুভূতিকে বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে নানা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক আয়োজন করা হয়। কেউ মাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, কেউ উপহার দেন, কেউবা পরিবারের সঙ্গে বিশেষ সময় কাটান। আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।

তবে মনীষীরা মনে করেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে নয়, প্রতিদিনের আচরণ ও যত্নেই মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পাওয়া উচিত। কারণ সন্তানের জীবনে মা শুধু একজন অভিভাবক নন, তিনি প্রথম শিক্ষক, প্রথম আশ্রয় এবং অনেকের কাছে পুরো পৃথিবীর আরেক নাম।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রোববার, ১০ মে ২০২৬


বিশ্ব মা দিবস: মমতা, ভালোবাসা আর নিরাপত্তার চিরন্তন বন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

‘মা’—মাত্র এক অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ। অথচ এই ছোট্ট শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব মায়া, মমতা, স্নেহ, ভালোবাসা আর নিরাপত্তার অনুভূতি। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর ও শ্রুতিমধুর শব্দগুলোর একটি বলেও বিবেচনা করা হয় এই শব্দকে। আজ সেই মায়েদের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানানোর দিন—বিশ্ব মা দিবস।


প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মা দিবস। সে হিসাবে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে আজ, ১০ মে।


মা দিবসের আধুনিক ধারণার সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯০৮ সালে আন্না জার্ভিস নামের এক নারী প্রথমবারের মতো তাঁর মায়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিবসটি পালন করেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান থেকেই ধীরে ধীরে মা দিবসের প্রচলন শুরু হয়।


পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মাদারস ডে’ হিসেবে ঘোষণা দেন। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।


মানুষের জীবনে মায়ের ভূমিকা অনন্য। জন্মের পর থেকে সন্তানের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, মূল্যবোধ গঠন ও জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। তাই মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও, মা দিবস সেই অনুভূতিকে বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।


বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উপলক্ষে নানা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক আয়োজন করা হয়। কেউ মাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, কেউ উপহার দেন, কেউবা পরিবারের সঙ্গে বিশেষ সময় কাটান। আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।


তবে মনীষীরা মনে করেন, শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনে নয়, প্রতিদিনের আচরণ ও যত্নেই মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পাওয়া উচিত। কারণ সন্তানের জীবনে মা শুধু একজন অভিভাবক নন, তিনি প্রথম শিক্ষক, প্রথম আশ্রয় এবং অনেকের কাছে পুরো পৃথিবীর আরেক নাম।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ