চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ইউনিয়নে জলাবদ্ধতায় ক্ষতির মুখে পড়া পাকা ধান শেষ মুহূর্তে রক্ষা পেয়েছে উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যা ছিল। এবারের মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পানি জমে গিয়ে মাঠে থাকা পাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ে কৃষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে প্রচারিত হয় এবং দ্রুত প্রশাসনের নজরে আসে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন। তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলো ঘুরে দেখেন এবং কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রশাসনের নির্দেশনার পরপরই মাঠে নালা কেটে পানি সরানোর কাজ শুরু করা হয়। এতে জমে থাকা পানি ধীরে ধীরে সরে যেতে থাকে এবং ধান রক্ষার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের জলাবদ্ধতার কারণে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়। বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে আগামী বর্ষার আগেই পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি পরিকল্পিত নালা নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া বিলে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা অংশগুলো অপসারণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে পাশের হালদা নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সময়মতো প্রশাসন এগিয়ে না এলে তাদের বছরের পরিশ্রম মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে যেত। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
পরিদর্শন ও কার্যক্রম চলাকালে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিরা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ইউনিয়নে জলাবদ্ধতায় ক্ষতির মুখে পড়া পাকা ধান শেষ মুহূর্তে রক্ষা পেয়েছে উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সমস্যা ছিল। এবারের মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পানি জমে গিয়ে মাঠে থাকা পাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ে কৃষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে প্রচারিত হয় এবং দ্রুত প্রশাসনের নজরে আসে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন। তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলো ঘুরে দেখেন এবং কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিদর্শন শেষে তিনি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রশাসনের নির্দেশনার পরপরই মাঠে নালা কেটে পানি সরানোর কাজ শুরু করা হয়। এতে জমে থাকা পানি ধীরে ধীরে সরে যেতে থাকে এবং ধান রক্ষার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের জলাবদ্ধতার কারণে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়। বিষয়টি স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে আগামী বর্ষার আগেই পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি পরিকল্পিত নালা নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া বিলে অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা অংশগুলো অপসারণের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে পাশের হালদা নদীতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, সময়মতো প্রশাসন এগিয়ে না এলে তাদের বছরের পরিশ্রম মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে যেত। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
পরিদর্শন ও কার্যক্রম চলাকালে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিরা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন