নড়াইল জেলার লোহাগড়া বাজারে বর্তমানে ইলিশ মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের অনেক বাইরে চলে গেছে। সরকারের আরোপিত সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও জলাশয়ে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকায় বাজারে সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দামে, যা এখন ক্রেতাদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় ৫০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশ- অর্থাৎ মোট এক কেজি- বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৮০০ টাকা দরে। আকারে তুলনামূলক ছোট হলেও এই দামে ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ কমে যাওয়াই মূলত দামের এই ঊর্ধ্বগতির কারণ। তাদের মতে, ইলিশ ধরা পুনরায় শুরু না হওয়া পর্যন্ত বাজারে দামের কোনো স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম।
উচ্চমূল্যের কারণে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতিও কমে গেছে। যেসব ক্রেতা নিয়মিত ইলিশ কিনতেন, তারাও এখন বিকল্প মাছের দিকে ঝুঁকছেন। অনেকেই শুধু দাম জিজ্ঞেস করেই ফিরে যাচ্ছেন। ফলে বিক্রেতারাও কিছুটা বিপাকে পড়েছেন—দাম বেশি হওয়ায় বিক্রি কম, আবার কম দামে বিক্রি করার সুযোগও নেই।
বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে এবং নদীতে স্বাভাবিকভাবে ইলিশ ধরা শুরু হলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে। তখন দামও ধীরে ধীরে সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।
বাজারের সাম্প্রতিক চিত্রেও এর প্রতিফলন দেখা যায়। এক মাছ বিক্রেতা তার দোকানে ইলিশ সাজিয়ে বসে থাকলেও আশানুরূপ ক্রেতা নেই। পুরো বাজারেই এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের জন্য প্রিয় এই মাছ এখন অনেকটাই বিলাসপণ্যে পরিণত হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি থেকে বোঝা যাচ্ছে, ইলিশের বাজার পুরোপুরি নির্ভর করছে সরবরাহের ওপর। যতদিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে, ততদিন এই উচ্চমূল্যের ধারা অব্যাহত থাকার আশঙ্কাই বেশি।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
নড়াইল জেলার লোহাগড়া বাজারে বর্তমানে ইলিশ মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের অনেক বাইরে চলে গেছে। সরকারের আরোপিত সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কারণে নদী ও জলাশয়ে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকায় বাজারে সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে দামে, যা এখন ক্রেতাদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় ৫০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশ- অর্থাৎ মোট এক কেজি- বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৮০০ টাকা দরে। আকারে তুলনামূলক ছোট হলেও এই দামে ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ কমে যাওয়াই মূলত দামের এই ঊর্ধ্বগতির কারণ। তাদের মতে, ইলিশ ধরা পুনরায় শুরু না হওয়া পর্যন্ত বাজারে দামের কোনো স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম।
উচ্চমূল্যের কারণে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতিও কমে গেছে। যেসব ক্রেতা নিয়মিত ইলিশ কিনতেন, তারাও এখন বিকল্প মাছের দিকে ঝুঁকছেন। অনেকেই শুধু দাম জিজ্ঞেস করেই ফিরে যাচ্ছেন। ফলে বিক্রেতারাও কিছুটা বিপাকে পড়েছেন—দাম বেশি হওয়ায় বিক্রি কম, আবার কম দামে বিক্রি করার সুযোগও নেই।
বিক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে এবং নদীতে স্বাভাবিকভাবে ইলিশ ধরা শুরু হলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে। তখন দামও ধীরে ধীরে সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।
বাজারের সাম্প্রতিক চিত্রেও এর প্রতিফলন দেখা যায়। এক মাছ বিক্রেতা তার দোকানে ইলিশ সাজিয়ে বসে থাকলেও আশানুরূপ ক্রেতা নেই। পুরো বাজারেই এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের জন্য প্রিয় এই মাছ এখন অনেকটাই বিলাসপণ্যে পরিণত হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি থেকে বোঝা যাচ্ছে, ইলিশের বাজার পুরোপুরি নির্ভর করছে সরবরাহের ওপর। যতদিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে, ততদিন এই উচ্চমূল্যের ধারা অব্যাহত থাকার আশঙ্কাই বেশি।

আপনার মতামত লিখুন