বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ৪০ বছর বয়সের পর অনেকেরই চোখে ঝাপসা দেখা, রাতে কম দেখা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া এবং আলোতে অস্বস্তি অনুভবের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের মাধ্যমে এই সমস্যার প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মত দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাক, লাল শাক, কেল ও কলমি শাকে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন চোখের রেটিনাকে ক্ষতিকর নীল আলো ও অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। একইভাবে গাজর, মিষ্টি আলু ও কুমড়ার মতো কমলা রঙের সবজিতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন A-তে রূপান্তরিত হয়ে রাতকানা প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং চোখের কোষ সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।
চর্বিযুক্ত মাছ যেমন ইলিশ, রুই ও স্যামনে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চোখের শুষ্কতা কমাতে এবং রেটিনার কার্যক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। এছাড়া ডিমের কুসুমে থাকা ভিটামিন A, লুটেইন ও জিঙ্ক দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাশাপাশি কমলা, লেবু, কিউইসহ ভিটামিন C সমৃদ্ধ ফল চোখের রক্তনালী শক্ত রাখতে সাহায্য করে এবং ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। বাদাম ও বীজজাতীয় খাবারে থাকা ভিটামিন E ও জিঙ্ক চোখের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। ডাল ও শিমজাতীয় খাবারও চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, শুধু খাদ্যাভ্যাস নয়, পর্যাপ্ত পানি পান, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের ব্যবহার সীমিত রাখা এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করাও চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পুরোপুরি প্রতিরোধ করা না গেলেও সুষম খাদ্য ও সচেতন জীবনযাপনের মাধ্যমে চোখকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখা সম্ভব।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ৪০ বছর বয়সের পর অনেকেরই চোখে ঝাপসা দেখা, রাতে কম দেখা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া এবং আলোতে অস্বস্তি অনুভবের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের মাধ্যমে এই সমস্যার প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মত দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাক, লাল শাক, কেল ও কলমি শাকে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন চোখের রেটিনাকে ক্ষতিকর নীল আলো ও অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। একইভাবে গাজর, মিষ্টি আলু ও কুমড়ার মতো কমলা রঙের সবজিতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন A-তে রূপান্তরিত হয়ে রাতকানা প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং চোখের কোষ সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।
চর্বিযুক্ত মাছ যেমন ইলিশ, রুই ও স্যামনে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চোখের শুষ্কতা কমাতে এবং রেটিনার কার্যক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। এছাড়া ডিমের কুসুমে থাকা ভিটামিন A, লুটেইন ও জিঙ্ক দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
পাশাপাশি কমলা, লেবু, কিউইসহ ভিটামিন C সমৃদ্ধ ফল চোখের রক্তনালী শক্ত রাখতে সাহায্য করে এবং ছানি পড়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। বাদাম ও বীজজাতীয় খাবারে থাকা ভিটামিন E ও জিঙ্ক চোখের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। ডাল ও শিমজাতীয় খাবারও চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, শুধু খাদ্যাভ্যাস নয়, পর্যাপ্ত পানি পান, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের ব্যবহার সীমিত রাখা এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করাও চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পুরোপুরি প্রতিরোধ করা না গেলেও সুষম খাদ্য ও সচেতন জীবনযাপনের মাধ্যমে চোখকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন