বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর সঙ্গে মতবিনিময় করেছে পাকিস্তানের করাচি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেসিসিআই) প্রতিনিধিদল। সোমবার রাজধানীর ইপিবি কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কেসিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাজার নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এতে অংশ নেয়। ইপিবির পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
পাকিস্তান প্রতিনিধিদল বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য কয়েকটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। এর মধ্যে রয়েছে করাচিতে আয়োজিত “মাই করাচি শো”-তে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করা, জয়েন্ট ইকোনমিক কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং সাফটা চুক্তিকে কার্যকর করা। পাশাপাশি তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশ ও সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করে।
জবাবে মোহাম্মদ হাসান আরিফ জানান, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এক বিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে, যা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগকে নিরাপদ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাকিস্তানকে বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির আহ্বান জানান তিনি। কৃষি, কৃষিজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও বস্ত্র খাতে যৌথভাবে কাজ করলে দুই দেশই লাভবান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে।
বিষয় : বাংলাদেশ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর সঙ্গে মতবিনিময় করেছে পাকিস্তানের করাচি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেসিসিআই) প্রতিনিধিদল। সোমবার রাজধানীর ইপিবি কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কেসিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাজার নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এতে অংশ নেয়। ইপিবির পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
পাকিস্তান প্রতিনিধিদল বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য কয়েকটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। এর মধ্যে রয়েছে করাচিতে আয়োজিত “মাই করাচি শো”-তে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করা, জয়েন্ট ইকোনমিক কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং সাফটা চুক্তিকে কার্যকর করা। পাশাপাশি তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশ ও সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করে।
জবাবে মোহাম্মদ হাসান আরিফ জানান, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এক বিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে, যা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগকে নিরাপদ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাকিস্তানকে বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির আহ্বান জানান তিনি। কৃষি, কৃষিজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও বস্ত্র খাতে যৌথভাবে কাজ করলে দুই দেশই লাভবান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে।

আপনার মতামত লিখুন