পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।
তথ্য উপদেষ্টা জানান, রূপপুর কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন ধাপে ধাপে রিয়্যাক্টর স্টার্টআপ, নিরাপত্তা যাচাই এবং টারবাইন পরীক্ষার কাজ চলছে। এসব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করতে আর বড় কোনো বাধা থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হওয়ায় এখানে সময়সূচির চেয়ে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একাধিক স্তরের পরীক্ষা ও অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তাই তাড়াহুড়ো না করে প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের মাধ্যমে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া হবে। এরপর পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে পূর্ণ সক্ষমতায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দ্বিতীয় ইউনিট চালু হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের যোগান আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, রূপপুর প্রকল্প শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও জ্বালানি নিরাপত্তার বড় প্রতীক। এই কেন্দ্র চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে।
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করবে। এতে জাতীয় গ্রিডে হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পথ খুলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।
তথ্য উপদেষ্টা জানান, রূপপুর কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন ধাপে ধাপে রিয়্যাক্টর স্টার্টআপ, নিরাপত্তা যাচাই এবং টারবাইন পরীক্ষার কাজ চলছে। এসব প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করতে আর বড় কোনো বাধা থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হওয়ায় এখানে সময়সূচির চেয়ে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একাধিক স্তরের পরীক্ষা ও অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তাই তাড়াহুড়ো না করে প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের মাধ্যমে সীমিত আকারে বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া হবে। এরপর পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে পূর্ণ সক্ষমতায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দ্বিতীয় ইউনিট চালু হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের যোগান আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, রূপপুর প্রকল্প শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও জ্বালানি নিরাপত্তার বড় প্রতীক। এই কেন্দ্র চালু হলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে।
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করবে। এতে জাতীয় গ্রিডে হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পথ খুলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন