ত্রিপুরার সেপাহিজালা জেলার কমলাসাগর সীমান্ত ফাঁড়ির আওতাধীন নবীনপাড়া ও বঙ্গবন্ধু সীমান্ত এলাকার কাঁটাতারের কাছাকাছি বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় নিহতরা হলেন কলেজ ছাত্রসহ নবীন হোসেন (৪০) ও মো. মোরসালিন (২০)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্তের বিপরীতে এ ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, নিয়মিত টহলের সময় বিএসএফ সদস্যরা অন্ধকারে ১০–১৫ জনের একটি দলকে সীমান্তের কাঁটাতার এলাকায় অবস্থান করে পণ্য আদান–প্রদান করতে দেখেন। স্থানীয় কিছু বাসিন্দার সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাচালান কার্যক্রম চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিএসএফের দাবি, টহলরত সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আত্মরক্ষার স্বার্থে তারা গুলি চালাতে বাধ্য হন। এতে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যান। পরে তল্লাশি চালিয়ে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বিশালগড় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানে স্থানীয়দের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে ওই দুই ব্যক্তি নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ত্রিপুরার সেপাহিজালা জেলার কমলাসাগর সীমান্ত ফাঁড়ির আওতাধীন নবীনপাড়া ও বঙ্গবন্ধু সীমান্ত এলাকার কাঁটাতারের কাছাকাছি বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় নিহতরা হলেন কলেজ ছাত্রসহ নবীন হোসেন (৪০) ও মো. মোরসালিন (২০)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্তের বিপরীতে এ ঘটনা ঘটে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, নিয়মিত টহলের সময় বিএসএফ সদস্যরা অন্ধকারে ১০–১৫ জনের একটি দলকে সীমান্তের কাঁটাতার এলাকায় অবস্থান করে পণ্য আদান–প্রদান করতে দেখেন। স্থানীয় কিছু বাসিন্দার সহায়তায় দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় চোরাচালান কার্যক্রম চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিএসএফের দাবি, টহলরত সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আত্মরক্ষার স্বার্থে তারা গুলি চালাতে বাধ্য হন। এতে দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যান। পরে তল্লাশি চালিয়ে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বিশালগড় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানে স্থানীয়দের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে ওই দুই ব্যক্তি নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন