হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট কন্যাসন্তানের জন্মের খবর প্রকাশের পর তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে একই সঙ্গে ইরান ২৮ ফেব্রুয়ারির মিনাব স্কুল হামলার প্রসঙ্গ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনাও করেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ক্যারোলিন লেভিট জানান, তার দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের নাম রাখা হয়েছে ভিভিয়ানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে নবজাতককে কোলে নিয়ে দেখা যায় তাকে। তিনি জানান, মা ও সন্তান দুজনই সুস্থ আছেন এবং পরিবার নতুন সদস্যকে নিয়ে আনন্দিত সময় পার করছে। তবে এই আনন্দঘন মুহূর্তের মধ্যেই ইরান এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তাকে অভিনন্দন জানালেও মিনাবের স্কুলে ভয়াবহ হামলার প্রসঙ্গ তোলে কঠোর সমালোচনা করে। ইরানি দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, শিশুরা নিষ্পাপ এবং ভালোবাসার যোগ্য। তারা দাবি করে, ওই হামলায় বহু শিশু নিহত হয়েছে, যারা ক্যারোলিনের নিজের সন্তানের মতোই ছিল। ইরান তাকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন তোলে, যখন তিনি নিজের সন্তানকে ভালোবাসা দিচ্ছেন, তখন সেই নিহত শিশুদের মায়েদের কথা তিনি ভাবছেন কি না। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই হামলায় মিনাবের একটি স্কুলে বহু শিশু, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ নিহত হন। তাদের অভিযোগ, ওই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ভূমিকা রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অতীতে দাবি করা হয়েছিল, তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না এবং ঘটনার তদন্ত চলছিল বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও দায় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান রয়েছে। ক্যারোলিন লেভিট এর আগে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে না, তবে ইরান এর বিপরীতে তাদের ওপর শিশু হত্যার অভিযোগ তুলে আসছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও তথ্যযুদ্ধ নতুন করে সামনে এসেছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট কন্যাসন্তানের জন্মের খবর প্রকাশের পর তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইরান। তবে একই সঙ্গে ইরান ২৮ ফেব্রুয়ারির মিনাব স্কুল হামলার প্রসঙ্গ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনাও করেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ক্যারোলিন লেভিট জানান, তার দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের নাম রাখা হয়েছে ভিভিয়ানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে নবজাতককে কোলে নিয়ে দেখা যায় তাকে। তিনি জানান, মা ও সন্তান দুজনই সুস্থ আছেন এবং পরিবার নতুন সদস্যকে নিয়ে আনন্দিত সময় পার করছে। তবে এই আনন্দঘন মুহূর্তের মধ্যেই ইরান এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তাকে অভিনন্দন জানালেও মিনাবের স্কুলে ভয়াবহ হামলার প্রসঙ্গ তোলে কঠোর সমালোচনা করে। ইরানি দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়, শিশুরা নিষ্পাপ এবং ভালোবাসার যোগ্য। তারা দাবি করে, ওই হামলায় বহু শিশু নিহত হয়েছে, যারা ক্যারোলিনের নিজের সন্তানের মতোই ছিল। ইরান তাকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন তোলে, যখন তিনি নিজের সন্তানকে ভালোবাসা দিচ্ছেন, তখন সেই নিহত শিশুদের মায়েদের কথা তিনি ভাবছেন কি না। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই হামলায় মিনাবের একটি স্কুলে বহু শিশু, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ নিহত হন। তাদের অভিযোগ, ওই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ভূমিকা রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অতীতে দাবি করা হয়েছিল, তারা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না এবং ঘটনার তদন্ত চলছিল বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও দায় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান রয়েছে। ক্যারোলিন লেভিট এর আগে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে না, তবে ইরান এর বিপরীতে তাদের ওপর শিশু হত্যার অভিযোগ তুলে আসছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও তথ্যযুদ্ধ নতুন করে সামনে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন