রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলার পর তা শেষের দিকে এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হলে তৃতীয় কোনো দেশে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসতে তিনি প্রস্তুত।
শনিবার (৯ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পুতিন বলেন, চলমান যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ের প্রক্রিয়া কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং সংঘাত সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।
এর আগে তিনি রাশিয়ার ‘ভিক্টরি ডে’ সামরিক কুচকাওয়াজে ইউক্রেনে বিজয়ের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং রুশ সেনাদের ‘ন্যায়সঙ্গত লড়াই’ চালানোর জন্য প্রশংসা করেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া ন্যাটো-সমর্থিত একটি শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।
পুতিন যুদ্ধের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর ‘গ্লোবালিস্ট এলিট’দের দায়ী করেন এবং অভিযোগ করেন, ন্যাটো পূর্বদিকে সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি ধীরে ধীরে সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।
বর্তমানে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি চলছে এবং দুই দেশ এক হাজার করে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে। তবে উভয় পক্ষ একে অপরকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তার উদ্যোগে দুই দেশ সীমিত যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, আলোচনা চলমান এবং সংঘাত সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে।
পুতিন জানান, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক সম্ভব হলেও তা কেবল দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরই হবে। তিনি আরও বলেন, আলোচনা কোনো প্রাথমিক পর্যায়ের নয়, বরং চূড়ান্ত সমঝোতার ভিত্তিতে হতে হবে।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, পাশাপাশি রাশিয়ার অর্থনীতিতেও চাপ তৈরি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক অগ্রগতি যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আশার আলো তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলার পর তা শেষের দিকে এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হলে তৃতীয় কোনো দেশে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসতে তিনি প্রস্তুত।
শনিবার (৯ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পুতিন বলেন, চলমান যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ের প্রক্রিয়া কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং সংঘাত সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।
এর আগে তিনি রাশিয়ার ‘ভিক্টরি ডে’ সামরিক কুচকাওয়াজে ইউক্রেনে বিজয়ের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং রুশ সেনাদের ‘ন্যায়সঙ্গত লড়াই’ চালানোর জন্য প্রশংসা করেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া ন্যাটো-সমর্থিত একটি শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।
পুতিন যুদ্ধের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর ‘গ্লোবালিস্ট এলিট’দের দায়ী করেন এবং অভিযোগ করেন, ন্যাটো পূর্বদিকে সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি ধীরে ধীরে সমাধানের দিকে এগোচ্ছে।
বর্তমানে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি চলছে এবং দুই দেশ এক হাজার করে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে। তবে উভয় পক্ষ একে অপরকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য দায়ী করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তার উদ্যোগে দুই দেশ সীমিত যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, আলোচনা চলমান এবং সংঘাত সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে।
পুতিন জানান, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক সম্ভব হলেও তা কেবল দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরই হবে। তিনি আরও বলেন, আলোচনা কোনো প্রাথমিক পর্যায়ের নয়, বরং চূড়ান্ত সমঝোতার ভিত্তিতে হতে হবে।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, পাশাপাশি রাশিয়ার অর্থনীতিতেও চাপ তৈরি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক অগ্রগতি যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আশার আলো তৈরি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন