নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি গ্যারেজে চোরাই অটোরিকশা কেনাবেচাকালে আন্তঃজেলা চোরচক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তিনটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
শনিবার (৯ মে) রাতে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ সদর উপজেলার ইসলামীয়া রোডের কৃষ্ণরামপুর এলাকার একটি গ্যারেজে অভিযান চালায়। সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (১০ মে) ভোরে পশ্চিম বদরীপুর এলাকা থেকে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার আবুল কালাম ওরফে রাসেল (৩৫), নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মোহাম্মদ উদ্দিন আজাদ (২৮) ও মেহেদী হাসান (২৯), সদর উপজেলার আশরাফুল (২৫) এবং সুবর্ণচরের নুর হোসেন (৫৭)।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, এটি একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা চোরচক্র। তারা লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে অটোরিকশা চুরি করে নোয়াখালীর এসব গোপন আস্তানায় নিয়ে আসত। চুরির পর অটোরিকশাগুলোর রঙ ও বডির আকার পরিবর্তন করে দ্রুত তা বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হতো।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত অটোরিকশাগুলো মালিকের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। চোরচক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি গ্যারেজে চোরাই অটোরিকশা কেনাবেচাকালে আন্তঃজেলা চোরচক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তিনটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
শনিবার (৯ মে) রাতে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ সদর উপজেলার ইসলামীয়া রোডের কৃষ্ণরামপুর এলাকার একটি গ্যারেজে অভিযান চালায়। সেখান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (১০ মে) ভোরে পশ্চিম বদরীপুর এলাকা থেকে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার আবুল কালাম ওরফে রাসেল (৩৫), নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার মোহাম্মদ উদ্দিন আজাদ (২৮) ও মেহেদী হাসান (২৯), সদর উপজেলার আশরাফুল (২৫) এবং সুবর্ণচরের নুর হোসেন (৫৭)।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, এটি একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা চোরচক্র। তারা লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে অটোরিকশা চুরি করে নোয়াখালীর এসব গোপন আস্তানায় নিয়ে আসত। চুরির পর অটোরিকশাগুলোর রঙ ও বডির আকার পরিবর্তন করে দ্রুত তা বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হতো।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত অটোরিকশাগুলো মালিকের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। চোরচক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন