ঠাকূরগাঁও সদর উপজেলায় আবারও কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গত শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মধ্য হরিনারায়ণপুর মাস্টারপাড়া এলাকার একটি পারিবারিক গোরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা গোরস্থানে প্রবেশ করে মোট পাঁচটি কবর খুঁড়ে ফেলে। এর মধ্যে মৃত রেখা বেগমের কঙ্কাল চুরি করে নিয়ে যায় তারা। রেখা বেগম ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার এক সময়ের সুপরিচিত ‘বুলবুল লাইব্রেরি’র স্বত্বাধিকারী মরহুম সিরাজুল হকের মেয়ে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রেখা বেগমের ছোট ভাই মমিনুল ইসলাম বলেন,
“সকালে গোরস্থানে গিয়ে কয়েকটি কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পাই। পরে বুঝতে পারি, আমার বোনের কঙ্কাল দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে।”
স্থানীয় ইউপি সদস্য মনছুর আলী জানান, বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে পুলিশের এএসআই সুমন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেন এবং কঙ্কাল চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ঠাকূরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পারিবারিক গোরস্থানগুলো নিয়ে এলাকাবাসী আতঙ্কে রয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, একটি সংঘবদ্ধ কঙ্কাল চোর চক্র এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তারা দ্রুত চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ঠাকূরগাঁও সদর উপজেলায় আবারও কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গত শুক্রবার গভীর রাতে সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মধ্য হরিনারায়ণপুর মাস্টারপাড়া এলাকার একটি পারিবারিক গোরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা গোরস্থানে প্রবেশ করে মোট পাঁচটি কবর খুঁড়ে ফেলে। এর মধ্যে মৃত রেখা বেগমের কঙ্কাল চুরি করে নিয়ে যায় তারা। রেখা বেগম ঠাকুরগাঁও রোড এলাকার এক সময়ের সুপরিচিত ‘বুলবুল লাইব্রেরি’র স্বত্বাধিকারী মরহুম সিরাজুল হকের মেয়ে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রেখা বেগমের ছোট ভাই মমিনুল ইসলাম বলেন,
“সকালে গোরস্থানে গিয়ে কয়েকটি কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পাই। পরে বুঝতে পারি, আমার বোনের কঙ্কাল দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে।”
স্থানীয় ইউপি সদস্য মনছুর আলী জানান, বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে পুলিশের এএসআই সুমন ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেন এবং কঙ্কাল চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ঠাকূরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পারিবারিক গোরস্থানগুলো নিয়ে এলাকাবাসী আতঙ্কে রয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, একটি সংঘবদ্ধ কঙ্কাল চোর চক্র এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তারা দ্রুত চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন