নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথবাহিনী। শনিবার (৯ মে) বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে আদমজী সুমিলপাড়া বিহারী কলোনি এলাকা থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, র্যাব-১১ ও বিজিবির সমন্বয়ে এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়। মাদকের বিস্তার রোধ এবং চিহ্নিত কারবারিদের আইনের আওতায় আনতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আটককৃতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ফারুক (৩৮), বাবু (২৭) ও বাবলু (৩২)। বাকি আটজনের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, আদমজী সুমিলপাড়া বিহারী কলোনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকায় বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। তবে দীর্ঘ সময় অভিযান চালানো হলেও কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা যায়নি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাচাই শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযান চলাকালে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথবাহিনী। শনিবার (৯ মে) বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে আদমজী সুমিলপাড়া বিহারী কলোনি এলাকা থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ, র্যাব-১১ ও বিজিবির সমন্বয়ে এই সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়। মাদকের বিস্তার রোধ এবং চিহ্নিত কারবারিদের আইনের আওতায় আনতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আটককৃতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন ফারুক (৩৮), বাবু (২৭) ও বাবলু (৩২)। বাকি আটজনের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, আদমজী সুমিলপাড়া বিহারী কলোনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। এলাকায় বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। তবে দীর্ঘ সময় অভিযান চালানো হলেও কোনো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা যায়নি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাচাই শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযান চলাকালে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন