ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসে দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে কঠোর অবস্থান দেখা দিয়েছে। নির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক জয় এবং তৃণমূলের আসন কমে যাওয়ার পর দলটি অভ্যন্তরীণ শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তিন মুখপাত্রকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। কোহিনূর মজুমদার, রিজু দত্ত ও কার্তিক ঘোষকে ছয় বছরের জন্য দলীয় কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। দল সূত্র জানায়, নির্বাচনের পর দলীয় নেতৃত্ব ও কৌশল নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনার কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে আরও কয়েকজন মুখপাত্রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনে ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেমে আসে ৮০ আসনে। ফলাফলের পর থেকেই দলের ভেতরে অসন্তোষ ও সমালোচনা বাড়তে থাকে। নোটিশ পাওয়া সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী ও পাপিয়া ঘোষসহ কয়েকজন। তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় এবং কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করাই শৃঙ্খলাভঙ্গের মূল কারণ। বহিষ্কৃত কোহিনূর মজুমদার অভিযোগ করেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাতের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, যা নিয়েও তিনি সমালোচনা করেছিলেন। অন্যদিকে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের ধরন নিয়ে মন্তব্য করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না এলেও দলীয় অভ্যন্তরে এই সিদ্ধান্তকে বড় ধরনের সাংগঠনিক কড়া পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস এখন সংগঠন পুনর্গঠন ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ জোরদারের দিকে এগোচ্ছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসে দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে কঠোর অবস্থান দেখা দিয়েছে। নির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক জয় এবং তৃণমূলের আসন কমে যাওয়ার পর দলটি অভ্যন্তরীণ শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তিন মুখপাত্রকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। কোহিনূর মজুমদার, রিজু দত্ত ও কার্তিক ঘোষকে ছয় বছরের জন্য দলীয় কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। দল সূত্র জানায়, নির্বাচনের পর দলীয় নেতৃত্ব ও কৌশল নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনার কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে আরও কয়েকজন মুখপাত্রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনে ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেমে আসে ৮০ আসনে। ফলাফলের পর থেকেই দলের ভেতরে অসন্তোষ ও সমালোচনা বাড়তে থাকে। নোটিশ পাওয়া সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী ও পাপিয়া ঘোষসহ কয়েকজন। তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় এবং কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করাই শৃঙ্খলাভঙ্গের মূল কারণ। বহিষ্কৃত কোহিনূর মজুমদার অভিযোগ করেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাতের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, যা নিয়েও তিনি সমালোচনা করেছিলেন। অন্যদিকে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের ধরন নিয়ে মন্তব্য করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না এলেও দলীয় অভ্যন্তরে এই সিদ্ধান্তকে বড় ধরনের সাংগঠনিক কড়া পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস এখন সংগঠন পুনর্গঠন ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ জোরদারের দিকে এগোচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন