ঢাকা    সোমবার, ১১ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

১৮৬২ থেকে ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দীর্ঘ পথচলা


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬

১৮৬২ থেকে ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দীর্ঘ পথচলা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার যাত্রা শুরু হয় ১৮৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন গভর্নর জন পিটার গ্রান্ট–এর সভাপতিত্বে কলকাতার বেলভেদের হাউজে –এ প্রথম অধিবেশন বসে। তখন ১২ সদস্যের সবাই ছিলেন মনোনীত।

১৮৯২ সালে প্রথমবার নির্বাচিত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ২০ করা হয়। পরে ১৯০৯ সালে তা ৫০ এবং ১৯১৯ সালে বেড়ে ১২৫ হয়। একই সময়ে স্পিকারের মতো সভাপতির ধারণাও চালু হয়।

১৯২১ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক বিধান পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। প্রথম বেসরকারি প্রেসিডেন্ট হন স্যার শামসুল হুদা। পরে বর্তমান বিধানসভা ভবনের নির্মাণ শুরু হয় ১৯২৮ সালে এবং ১৯৩১ সালে সেখানে প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩৫ সালের আইনের মাধ্যমে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠিত হয়—বিধানসভা ও বিধান পরিষদ। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় একে ফজলুল হক কৃষক প্রজা পার্টি ও মুসলিম লীগের জোট সরকার গঠন করেন।

১৯৪৬ সালের নির্বাচনে হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌ নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ সরকার গঠন করে। দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গের আসন সংখ্যা কমে যায় এবং কংগ্রেস সরকার গঠিত হয়। প্রথমে পিসি ঘোষ এবং পরে বিধান চন্দ্র রায় সরকার পরিচালনা করেন।

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বাঙালি সুকুমার সেন, যিনি ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন পরিচালনা করেন।

১৯৬৯ সালে বিধান পরিষদ বিলুপ্ত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গে একক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা চালু হয়। বর্তমানে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। ২০১৯ সালে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জন্য মনোনীত একটি আসনও বাতিল করা হয়।

বিষয় : ভারত

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


১৮৬২ থেকে ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দীর্ঘ পথচলা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার যাত্রা শুরু হয় ১৮৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন গভর্নর জন পিটার গ্রান্ট–এর সভাপতিত্বে কলকাতার বেলভেদের হাউজে –এ প্রথম অধিবেশন বসে। তখন ১২ সদস্যের সবাই ছিলেন মনোনীত।

১৮৯২ সালে প্রথমবার নির্বাচিত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ২০ করা হয়। পরে ১৯০৯ সালে তা ৫০ এবং ১৯১৯ সালে বেড়ে ১২৫ হয়। একই সময়ে স্পিকারের মতো সভাপতির ধারণাও চালু হয়।

১৯২১ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক বিধান পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। প্রথম বেসরকারি প্রেসিডেন্ট হন স্যার শামসুল হুদা। পরে বর্তমান বিধানসভা ভবনের নির্মাণ শুরু হয় ১৯২৮ সালে এবং ১৯৩১ সালে সেখানে প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩৫ সালের আইনের মাধ্যমে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠিত হয়—বিধানসভা ও বিধান পরিষদ। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় একে ফজলুল হক কৃষক প্রজা পার্টি ও মুসলিম লীগের জোট সরকার গঠন করেন।

১৯৪৬ সালের নির্বাচনে হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌ নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ সরকার গঠন করে। দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গের আসন সংখ্যা কমে যায় এবং কংগ্রেস সরকার গঠিত হয়। প্রথমে পিসি ঘোষ এবং পরে বিধান চন্দ্র রায় সরকার পরিচালনা করেন।

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বাঙালি সুকুমার সেন, যিনি ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচন পরিচালনা করেন।

১৯৬৯ সালে বিধান পরিষদ বিলুপ্ত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গে একক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা চালু হয়। বর্তমানে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। ২০১৯ সালে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জন্য মনোনীত একটি আসনও বাতিল করা হয়।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ