ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বড় জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় দলটি ১৯৫টি আসনে জয়ী হয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বিপরীতে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৬৮টি আসন পেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হলো তৃণমূল নেত্রী Mamata Banerjee–র নিজের আসনে পরাজয়। বিজেপি নেতা Suvendu Adhikari–র কাছে তিনি হেরে যান। এতে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট হয়েছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, বিজেপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসনের চেয়েও অনেক বেশি আসন পেয়েছে। এখন দলটির নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকার শপথ নেবে।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগেই রাজ্য সচিবালয় Nabanna–এ কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানো, নষ্ট করা বা কপি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কড়া তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ABP Ananda জানিয়েছে, চিটফান্ড কেলেঙ্কারি ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিসংক্রান্ত নথি যেন গায়েব না হয়, সেজন্য এই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এবারের নির্বাচন দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয়—২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোটার সংখ্যা কমলেও ভোটদানের হার বেড়ে প্রায় ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা রাজ্যের ইতিহাসে রেকর্ড। মোট ৬ কোটি ৩৪ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছেন, যা ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩১ লাখ বেশি।
বিষয় : ভারত

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বড় জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ২৯৪ আসনের বিধানসভায় দলটি ১৯৫টি আসনে জয়ী হয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বিপরীতে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৬৮টি আসন পেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে।
সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হলো তৃণমূল নেত্রী Mamata Banerjee–র নিজের আসনে পরাজয়। বিজেপি নেতা Suvendu Adhikari–র কাছে তিনি হেরে যান। এতে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট হয়েছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, বিজেপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসনের চেয়েও অনেক বেশি আসন পেয়েছে। এখন দলটির নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন সরকার শপথ নেবে।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগেই রাজ্য সচিবালয় Nabanna–এ কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানো, নষ্ট করা বা কপি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কড়া তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ABP Ananda জানিয়েছে, চিটফান্ড কেলেঙ্কারি ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিসংক্রান্ত নথি যেন গায়েব না হয়, সেজন্য এই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এবারের নির্বাচন দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয়—২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোটার সংখ্যা কমলেও ভোটদানের হার বেড়ে প্রায় ৯৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা রাজ্যের ইতিহাসে রেকর্ড। মোট ৬ কোটি ৩৪ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছেন, যা ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩১ লাখ বেশি।

আপনার মতামত লিখুন