ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তৃণমূল যুব নেতা সৌভিক পান গুরুতর আহত হন এবং তার চোখে আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয়।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৪ মে) বর্ধমান শহরের গোলাপবাগ ইউটিআই কলেজের গণনাকেন্দ্রে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গণনা চলাকালীন একটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় বিজেপি কর্মীরা সৌভিক পানকে ঘিরে ধরে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পর গণনাকেন্দ্রে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য ভোট গণনা প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত নেতাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দাবি করেছে। অন্যদিকে বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তৃণমূল কর্মীরাই প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
বিষয় : ভারত

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তৃণমূল যুব নেতা সৌভিক পান গুরুতর আহত হন এবং তার চোখে আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয়।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৪ মে) বর্ধমান শহরের গোলাপবাগ ইউটিআই কলেজের গণনাকেন্দ্রে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গণনা চলাকালীন একটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় বিজেপি কর্মীরা সৌভিক পানকে ঘিরে ধরে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পর গণনাকেন্দ্রে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য ভোট গণনা প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত নেতাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দাবি করেছে। অন্যদিকে বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তৃণমূল কর্মীরাই প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আপনার মতামত লিখুন