ঢাকা    সোমবার, ১১ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ঢাবির সহকারী প্রক্টর পদ থেকে শেহরীন আমিন মোনামীর পদত্যাগ


নিজস্ব প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬

ঢাবির সহকারী প্রক্টর পদ থেকে শেহরীন আমিন মোনামীর পদত্যাগ
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শেহরীন আমিন মোনামী। সোমবার  বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্টে দিয়েছেন তিনি।                                                                                                                                                              শিক্ষক মোনামী লিখেছেন, শিক্ষকতা পেশার ৭ বছরে কখনও এক মুহূর্তের জন্য প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা আমার হয়নি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা কালীন কখনও ভাবিনি আমি প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব নেবো। তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্টে যখন প্রক্টর স্যার আমাকে কল দিয়ে বললেন, তিনি আমাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে চান, আমি আসলেই অনেক এক্সাইটেড ছিলাম। আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!! একে তো নতুন বাংলাদেশ। অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কি হতে পারে! তার ওপর আমার ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই-স্যার, আমি মানা করবো!???

তিনি আরও লিখেছেন, গত দুই বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছি, কীভাবে একজন প্রক্টরকে, অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়, উত্তপ্ত পরিস্থিতি হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যাকেল দিতে হয় আর সর্বপরি কীভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়। ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার দলের সদস্য হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।

প্রক্টরের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে শিক্ষক মোনমী বেলেন, আমার টেনিউরে আমি কি করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করবো না। আমি জানিও না, টু বি ট্রু। আমি কেবল জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সাথে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। জুলাই এবং জুলাই পরবর্তী এমন সময় আর সিচুয়েশন আদৌ এই দেশে আর আসবে কিনা আমি জানি না। সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো প্রক্টর ও তার টিম এমন সিচুয়েশন ফেস করেনি, প্রোবাবলি, করবেও না। সবশেষ ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আমাদের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ স্যারের নেতৃত্বে এবং আমার টিমের সঙ্গে কাজ করা ছিল একেবারেই সম্মানের বিষয়। নবনিযুক্ত প্রক্টর এবং তার টিমকে জানাই অভিনন্দন। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার জন্য এই টিমের সাফল্য কামনা করছি।

এর আগে, গত রোববার দুপুরে ঢাবির সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ পদত্যাগ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


ঢাবির সহকারী প্রক্টর পদ থেকে শেহরীন আমিন মোনামীর পদত্যাগ

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শেহরীন আমিন মোনামী। সোমবার  বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্টে দিয়েছেন তিনি।                                                                                                                                                              শিক্ষক মোনামী লিখেছেন, শিক্ষকতা পেশার ৭ বছরে কখনও এক মুহূর্তের জন্য প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা আমার হয়নি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা কালীন কখনও ভাবিনি আমি প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব নেবো। তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্টে যখন প্রক্টর স্যার আমাকে কল দিয়ে বললেন, তিনি আমাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে চান, আমি আসলেই অনেক এক্সাইটেড ছিলাম। আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!! একে তো নতুন বাংলাদেশ। অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কি হতে পারে! তার ওপর আমার ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই-স্যার, আমি মানা করবো!???


তিনি আরও লিখেছেন, গত দুই বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছি, কীভাবে একজন প্রক্টরকে, অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়, উত্তপ্ত পরিস্থিতি হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যাকেল দিতে হয় আর সর্বপরি কীভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়। ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার দলের সদস্য হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।


প্রক্টরের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে শিক্ষক মোনমী বেলেন, আমার টেনিউরে আমি কি করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করবো না। আমি জানিও না, টু বি ট্রু। আমি কেবল জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সাথে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। জুলাই এবং জুলাই পরবর্তী এমন সময় আর সিচুয়েশন আদৌ এই দেশে আর আসবে কিনা আমি জানি না। সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো প্রক্টর ও তার টিম এমন সিচুয়েশন ফেস করেনি, প্রোবাবলি, করবেও না। সবশেষ ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আমাদের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ স্যারের নেতৃত্বে এবং আমার টিমের সঙ্গে কাজ করা ছিল একেবারেই সম্মানের বিষয়। নবনিযুক্ত প্রক্টর এবং তার টিমকে জানাই অভিনন্দন। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার জন্য এই টিমের সাফল্য কামনা করছি।

এর আগে, গত রোববার দুপুরে ঢাবির সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ পদত্যাগ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ