বর্তমান সময়ের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশ আজ বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে তার জীবনের এক অজানা ও হৃদয়স্পর্শী গল্প সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। অভিনেতা জানান, তার জীবনের সফলতার পেছনের রাস্তাটি মোটেও সহজ ছিল না এবং এর পেছনে রয়েছে তার মায়ের এক দীর্ঘ নীরব আত্মত্যাগের ইতিহাস।
পলাশ স্মৃতিচারণ করে বলেন, ২০০৯ সালে তার এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার খবর শুনে তার মা প্রচণ্ড মানসিক আঘাত পান এবং সেখান থেকেই ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এই ভয়াবহ অসুস্থতার ফলে তার মায়ের জিহ্বা ও শরীরের বাম পাশ প্যারালাইজড হয়ে যায়, যার কারণে তিনি দীর্ঘ পাঁচটি বছর কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। সেই সময়টিতে পরিবারের সাথে যোগাযোগের একমাত্র উপায় ছিল কাগজ আর কলম; মা তার মনের সব আকুতি কলমের কালিতে লিখে প্রকাশ করতেন।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে যখন পলাশ নিজের স্বপ্ন পূরণে লড়াই করছিলেন, তখন অসুস্থ মা ছিলেন তার সবচেয়ে বড় মানসিক শক্তি। কথা বলতে না পারলেও মা তার সুস্থ হাতটি দিয়ে চুপিচুপি পলাশের পকেটে টাকা গুঁজে দিতেন যেন তাকে কোনো কষ্টে পড়তে না হয়। বাবার অমতে শোবিজে কাজ করার সেই দিনগুলোতে মায়ের এই নীরব সমর্থনই ছিল তার এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। দীর্ঘ চিকিৎসা আর পরিবারের নিরলস যত্নে পলাশের মা এখন পুরোপুরি সুস্থ এবং পুনরায় কথা বলতে পারছেন। মা দিবসের এই দিনে পলাশ তার মায়ের সেই লিখে প্রকাশ করা কথাগুলোকে জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা ও আশীর্বাদ হিসেবে স্মরণ করেছেন।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
বর্তমান সময়ের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ও নির্মাতা জিয়াউল হক পলাশ আজ বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে তার জীবনের এক অজানা ও হৃদয়স্পর্শী গল্প সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। অভিনেতা জানান, তার জীবনের সফলতার পেছনের রাস্তাটি মোটেও সহজ ছিল না এবং এর পেছনে রয়েছে তার মায়ের এক দীর্ঘ নীরব আত্মত্যাগের ইতিহাস।
পলাশ স্মৃতিচারণ করে বলেন, ২০০৯ সালে তার এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার খবর শুনে তার মা প্রচণ্ড মানসিক আঘাত পান এবং সেখান থেকেই ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এই ভয়াবহ অসুস্থতার ফলে তার মায়ের জিহ্বা ও শরীরের বাম পাশ প্যারালাইজড হয়ে যায়, যার কারণে তিনি দীর্ঘ পাঁচটি বছর কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। সেই সময়টিতে পরিবারের সাথে যোগাযোগের একমাত্র উপায় ছিল কাগজ আর কলম; মা তার মনের সব আকুতি কলমের কালিতে লিখে প্রকাশ করতেন।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে যখন পলাশ নিজের স্বপ্ন পূরণে লড়াই করছিলেন, তখন অসুস্থ মা ছিলেন তার সবচেয়ে বড় মানসিক শক্তি। কথা বলতে না পারলেও মা তার সুস্থ হাতটি দিয়ে চুপিচুপি পলাশের পকেটে টাকা গুঁজে দিতেন যেন তাকে কোনো কষ্টে পড়তে না হয়। বাবার অমতে শোবিজে কাজ করার সেই দিনগুলোতে মায়ের এই নীরব সমর্থনই ছিল তার এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। দীর্ঘ চিকিৎসা আর পরিবারের নিরলস যত্নে পলাশের মা এখন পুরোপুরি সুস্থ এবং পুনরায় কথা বলতে পারছেন। মা দিবসের এই দিনে পলাশ তার মায়ের সেই লিখে প্রকাশ করা কথাগুলোকে জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা ও আশীর্বাদ হিসেবে স্মরণ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন