রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত ‘লাল বাহিনীর’ প্রধান নুর হোসেন লালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নুর হোসেন লালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক কারবার এবং ভূমি দখলসহ অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর হোসেন লাল নিকুঞ্জ-২ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এবং জমি দখলের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। তার এই অপরাধী চক্রটি এলাকায় ‘লাল বাহিনী’ নামে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, নিকুঞ্জ-২ এর ১ নম্বর রোডের দোকানপাট, ফলের দোকান ও পিকআপ স্ট্যান্ড থেকে তার ক্যাডাররা নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। প্রতি মাসে এই এলাকা থেকে তিনি কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা চাঁদা তুলতেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নিকুঞ্জ-২ এর ১/এ রোডের অন্তত সাতটি মালিকহীন প্লট দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন লাল। এমনকি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ১/এ রোডের একটি কার্যালয়কে তিনি ‘টর্চার সেল’ বা নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। ভয়ে দীর্ঘদিন কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পাননি।
পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, নুর হোসেন লাল প্রভাব খাটিয়ে জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করলেও তার ছোট ভাই বাবুলের মাধ্যমে পুরো এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করতেন।
ওসি সোহরাব আল হোসাইন বলেন, "তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তার অপরাধ সাম্রাজ্যের অন্যান্য সদস্যদের বিষয়েও তদন্ত চলছে।"
এদিকে লালের গ্রেপ্তারের খবরে খিলক্ষেত ও নিকুঞ্জ এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয়রা তার এবং তার বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত ‘লাল বাহিনীর’ প্রধান নুর হোসেন লালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নুর হোসেন লালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক কারবার এবং ভূমি দখলসহ অসংখ্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর হোসেন লাল নিকুঞ্জ-২ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এবং জমি দখলের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। তার এই অপরাধী চক্রটি এলাকায় ‘লাল বাহিনী’ নামে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, নিকুঞ্জ-২ এর ১ নম্বর রোডের দোকানপাট, ফলের দোকান ও পিকআপ স্ট্যান্ড থেকে তার ক্যাডাররা নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। প্রতি মাসে এই এলাকা থেকে তিনি কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা চাঁদা তুলতেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, নিকুঞ্জ-২ এর ১/এ রোডের অন্তত সাতটি মালিকহীন প্লট দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন লাল। এমনকি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ১/এ রোডের একটি কার্যালয়কে তিনি ‘টর্চার সেল’ বা নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। ভয়ে দীর্ঘদিন কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পাননি।
পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, নুর হোসেন লাল প্রভাব খাটিয়ে জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করলেও তার ছোট ভাই বাবুলের মাধ্যমে পুরো এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করতেন।
ওসি সোহরাব আল হোসাইন বলেন, "তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তার অপরাধ সাম্রাজ্যের অন্যান্য সদস্যদের বিষয়েও তদন্ত চলছে।"
এদিকে লালের গ্রেপ্তারের খবরে খিলক্ষেত ও নিকুঞ্জ এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয়রা তার এবং তার বাহিনীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন