ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সরকারি সম্পদ রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দিনব্যাপী এই অভিযান নোয়াপাড়া, মালিগ্রাম বাজার এবং কাউলিবেড়া এলাকায় একযোগে পরিচালিত হয়। অভিযানে একাধিক অনিয়ম ও অপরাধের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, জরিমানা করা হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এবং কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের শুরুতে নোয়াপাড়া এলাকায় হাজী ইরফান উদ্দীন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল পরিমাপে অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিদর্শন চালানো হয়। পরিদর্শনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পাম্প কর্তৃপক্ষকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য পাম্প ম্যানেজারকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। এরপর মালিগ্রাম বাজার ও কাউলিবেড়া এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একাধিক স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট দখলদারদের ভবিষ্যতে সরকারি জমি পুনরায় দখল না করার জন্য লিখিত মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, এসব স্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা ও বসবাস কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। অভিযানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাউলিবেড়া এলাকায় ভেকু মেশিন দিয়ে সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে মো. শফিকুল ইসলাম (৩৯)-কে আটক করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি জমি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ভরাটের নির্দেশ দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদরুল আলম সিয়াম। পুরো অভিযানে ভাঙ্গা থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, সরকারি সম্পদ রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের অবৈধ দখল, অনিয়ম বা প্রতারণা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা ও অধিকার ভোগ করতে পারবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সরকারি সম্পদ রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দিনব্যাপী এই অভিযান নোয়াপাড়া, মালিগ্রাম বাজার এবং কাউলিবেড়া এলাকায় একযোগে পরিচালিত হয়। অভিযানে একাধিক অনিয়ম ও অপরাধের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, জরিমানা করা হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এবং কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের শুরুতে নোয়াপাড়া এলাকায় হাজী ইরফান উদ্দীন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল পরিমাপে অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিদর্শন চালানো হয়। পরিদর্শনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পাম্প কর্তৃপক্ষকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম না করার জন্য পাম্প ম্যানেজারকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। এরপর মালিগ্রাম বাজার ও কাউলিবেড়া এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। সেখানে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একাধিক স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট দখলদারদের ভবিষ্যতে সরকারি জমি পুনরায় দখল না করার জন্য লিখিত মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, এসব স্থাপনা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা ও বসবাস কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। অভিযানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাউলিবেড়া এলাকায় ভেকু মেশিন দিয়ে সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে মো. শফিকুল ইসলাম (৩৯)-কে আটক করা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি জমি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ভরাটের নির্দেশ দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদরুল আলম সিয়াম। পুরো অভিযানে ভাঙ্গা থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, সরকারি সম্পদ রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের অবৈধ দখল, অনিয়ম বা প্রতারণা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত হলে এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্য সেবা ও অধিকার ভোগ করতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন