নওগাঁর মান্দা উপজেলায় প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে মিথ্যা ও মানহানিকর প্রচারণার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুফতি মাহমুদুল হাসান। সোমবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের কাচারীপাড়া আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তার অবস্থান তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি মাহমুদুল হাসান অভিযোগ করেন, ‘বিটিবি নিউজ’-এর সম্পাদক পরিচয়দানকারী স্থানীয় ব্যক্তি আব্দুল বারী খান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করছেন। এতে তার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চলছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, গত ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কুলিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আব্দুল বারী খানের উদ্যোগে একটি তাফসিরুল কুরআন মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ওই মাহফিলে আয়োজকের একক সিদ্ধান্তে সালাফি মতাদর্শের পাঁচজন আলেমকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আলেম সমাজ আপত্তি জানায় এবং তারা প্রস্তাব দেয়, যেহেতু এলাকায় হানাফি মাযহাবের অনুসারী বেশি, তাই উভয় ধারার আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করলে বিভ্রান্তি ও সম্ভাব্য মতবিরোধ এড়ানো সম্ভব হবে।
মুফতি মাহমুদুল হাসানের অভিযোগ, এসব পরামর্শ উপেক্ষা করে আব্দুল বারী খান তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। এমনকি তিনি প্রশাসনের অনুমতি নেওয়ার কথা বললেও পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অনুমতি গ্রহণ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার জের ধরেই আব্দুল বারী খান তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করছেন। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে আরও বিভ্রান্তিকর ও ব্যক্তিগত মানহানিকর, এমনকি নারী কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের হুমকিও দিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল বারী খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে ব্যস্ত উল্লেখ করে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং পরে কথা বলবেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. মুনিরুল ইসলাম, মুফতি মো. ইসরাফিল আলম, মাওলানা আব্দুল আজিজ, মাওলানা নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে মিথ্যা ও মানহানিকর প্রচারণার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মুফতি মাহমুদুল হাসান। সোমবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের কাচারীপাড়া আদর্শ বালিকা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তার অবস্থান তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি মাহমুদুল হাসান অভিযোগ করেন, ‘বিটিবি নিউজ’-এর সম্পাদক পরিচয়দানকারী স্থানীয় ব্যক্তি আব্দুল বারী খান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করছেন। এতে তার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চলছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, গত ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কুলিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আব্দুল বারী খানের উদ্যোগে একটি তাফসিরুল কুরআন মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ওই মাহফিলে আয়োজকের একক সিদ্ধান্তে সালাফি মতাদর্শের পাঁচজন আলেমকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আলেম সমাজ আপত্তি জানায় এবং তারা প্রস্তাব দেয়, যেহেতু এলাকায় হানাফি মাযহাবের অনুসারী বেশি, তাই উভয় ধারার আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করলে বিভ্রান্তি ও সম্ভাব্য মতবিরোধ এড়ানো সম্ভব হবে।
মুফতি মাহমুদুল হাসানের অভিযোগ, এসব পরামর্শ উপেক্ষা করে আব্দুল বারী খান তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। এমনকি তিনি প্রশাসনের অনুমতি নেওয়ার কথা বললেও পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অনুমতি গ্রহণ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার জের ধরেই আব্দুল বারী খান তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করছেন। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে আরও বিভ্রান্তিকর ও ব্যক্তিগত মানহানিকর, এমনকি নারী কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের হুমকিও দিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল বারী খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে ব্যস্ত উল্লেখ করে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং পরে কথা বলবেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. মুনিরুল ইসলাম, মুফতি মো. ইসরাফিল আলম, মাওলানা আব্দুল আজিজ, মাওলানা নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন