গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় দুঃস্থ ও অসহায় সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্র (বৃন্দাবনপাড়া) শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ করেন মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা এবং চয়েস টু চেঞ্জ অফ হিন্দু ফাউন্ডেশনের পরিচালক শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস।
এ সময় ভক্তবৃন্দের মধ্যে প্রবীর বাবু, নির্মল কুমার মিত্র, সন্তোষ তালুকদার, সজিব রায়সহ ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এবং মন্দির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। সুবিধাভোগী পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় এনে সুশৃঙ্খলভাবে তালিকা অনুযায়ী এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস বলেন, “আমার জীবনের সবকিছুই মানুষের জন্য। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় মানুষ যেন অন্তত খাদ্যের কষ্ট থেকে কিছুটা মুক্তি পায়, সেটাই আমার চেষ্টা। যতদিন বেঁচে থাকব, সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব।”
তিনি আরও বলেন, তিনি শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, সকল ধর্মের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।
চাল পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, এমন সহায়তা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে বড় ধরনের সহায়তা দেবে। একই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় দুঃস্থ ও অসহায় সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্র (বৃন্দাবনপাড়া) শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান উদ্যোক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ করেন মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা এবং চয়েস টু চেঞ্জ অফ হিন্দু ফাউন্ডেশনের পরিচালক শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস।
এ সময় ভক্তবৃন্দের মধ্যে প্রবীর বাবু, নির্মল কুমার মিত্র, সন্তোষ তালুকদার, সজিব রায়সহ ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এবং মন্দির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। সুবিধাভোগী পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় এনে সুশৃঙ্খলভাবে তালিকা অনুযায়ী এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস বলেন, “আমার জীবনের সবকিছুই মানুষের জন্য। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় মানুষ যেন অন্তত খাদ্যের কষ্ট থেকে কিছুটা মুক্তি পায়, সেটাই আমার চেষ্টা। যতদিন বেঁচে থাকব, সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব।”
তিনি আরও বলেন, তিনি শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, সকল ধর্মের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।
চাল পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, এমন সহায়তা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে বড় ধরনের সহায়তা দেবে। একই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন