দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ জন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি চালায়। এ সময় নিষিদ্ধ মাদক ট্যাপেন্ডাটোল সেবনরত অবস্থায় ৫ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের রাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের অপরাধের ভিত্তিতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন। পরদিন রবিবার (৩ মে) প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে সাজাপ্রাপ্তদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ব্যথানাশক ট্যাবলেট ‘ট্যাপেন্ডাটোল’ বর্তমানে অপব্যবহারের মাধ্যমে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয়দের মতে, পুলিশের এমন ধারাবাহিক অভিযান মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ জন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি চালায়। এ সময় নিষিদ্ধ মাদক ট্যাপেন্ডাটোল সেবনরত অবস্থায় ৫ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের রাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাদের অপরাধের ভিত্তিতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন। পরদিন রবিবার (৩ মে) প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে সাজাপ্রাপ্তদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ব্যথানাশক ট্যাবলেট ‘ট্যাপেন্ডাটোল’ বর্তমানে অপব্যবহারের মাধ্যমে মাদক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয়দের মতে, পুলিশের এমন ধারাবাহিক অভিযান মাদক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন