হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার প্রশাসনিক অঙ্গনে মানবিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়। নম্র, ভদ্র ও সদালাপী এই কর্মকর্তা অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তার আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যেই উপজেলাজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে বিসিএস ক্যাডারে যোগদানের পর থেকেই তিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বাহুবলে যোগদানের পর কয়েক মাসের মধ্যেই প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। দাপ্তরিক দীর্ঘসূত্রতা কমানো, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার কার্যকর উদ্যোগ স্থানীয়দের নজর কেড়েছে।
তার নেতৃত্বে উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন প্রকল্প। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে নেওয়া উদ্যোগগুলো ইতোমধ্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। জানা গেছে, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসহায় মানুষের সহায়তায়ও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। অনেক সময় নিজের বেতনের টাকাও ব্যয় করছেন হতদরিদ্র মানুষের জন্য।
বর্তমানে উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বের পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন উজ্জ্বল রায়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করাকে তিনি দায়িত্বের অংশ হিসেবেই দেখেন। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি উপজেলার দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো যেন তার প্রতিদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ রক্ষায়ও তিনি রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা। কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন রোধ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্য মজুদকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধ ইটভাটা বন্ধ, যানজট নিরসন, খাল উদ্ধার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।
জনবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের জন্য নিজের দপ্তরের দরজা উন্মুক্ত রেখেছেন ইউএনও উজ্জ্বল রায়। ফলে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বেড়েছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী সচেতনতা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।
যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন জাতীয় দিবস জাঁকজমকপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দনভাবে উদযাপনের মাধ্যমে উপজেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তার উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
শিক্ষাক্ষেত্রেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের ফলাফল পর্যবেক্ষণ এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের মতো উদ্যোগ তাকে একজন ব্যতিক্রমধর্মী প্রশাসক হিসেবে পরিচিত করেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়া বলেন, “একজন ইউএনও এতটা কর্মঠ ও জনপ্রিয় হতে পারেন, উজ্জ্বল রায় তার উজ্জ্বল উদাহরণ। এলাকার মানুষ তাকে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেখছে।”
সেবা নিতে আসা কয়েকজন সাধারণ মানুষ বলেন, “তিনি অত্যন্ত ভদ্র, সৎ ও মানবিক একজন কর্মকর্তা। সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন।”
এ বিষয়ে ইউএনও উজ্জ্বল রায় বলেন, “আমি কাজে বিশ্বাসী। মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। দেশের জন্য কাজ করাই আমার লক্ষ্য। বাহুবলের মানুষের জন্য সবসময় কাজ করে যেতে চাই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করাই আমার দায়িত্ব। কোনো সমস্যা হলে মানুষ যেন নির্দ্বিধায় আমার কাছে আসে, সেটাই আমি চাই। আমার একটাই বার্তা— জনসেবাই জনপ্রশাসন।”
সচেতন মহলের মতে, বাহুবলের উন্নয়ন ও সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক প্রশাসক হিসেবে ইউএনও উজ্জ্বল রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার প্রশাসনিক অঙ্গনে মানবিকতা, সততা ও কর্মদক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়। নম্র, ভদ্র ও সদালাপী এই কর্মকর্তা অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তার আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যেই উপজেলাজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে বিসিএস ক্যাডারে যোগদানের পর থেকেই তিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বাহুবলে যোগদানের পর কয়েক মাসের মধ্যেই প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। দাপ্তরিক দীর্ঘসূত্রতা কমানো, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার কার্যকর উদ্যোগ স্থানীয়দের নজর কেড়েছে।
তার নেতৃত্বে উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন প্রকল্প। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে নেওয়া উদ্যোগগুলো ইতোমধ্যেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। জানা গেছে, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসহায় মানুষের সহায়তায়ও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। অনেক সময় নিজের বেতনের টাকাও ব্যয় করছেন হতদরিদ্র মানুষের জন্য।
বর্তমানে উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বের পাশাপাশি উপজেলা পরিষদ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন উজ্জ্বল রায়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করাকে তিনি দায়িত্বের অংশ হিসেবেই দেখেন। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি উপজেলার দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো যেন তার প্রতিদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ রক্ষায়ও তিনি রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা। কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন রোধ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্য মজুদকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধ ইটভাটা বন্ধ, যানজট নিরসন, খাল উদ্ধার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।
জনবান্ধব প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের জন্য নিজের দপ্তরের দরজা উন্মুক্ত রেখেছেন ইউএনও উজ্জ্বল রায়। ফলে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বেড়েছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী সচেতনতা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও তার সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।
যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন জাতীয় দিবস জাঁকজমকপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দনভাবে উদযাপনের মাধ্যমে উপজেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তিনি। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তার উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
শিক্ষাক্ষেত্রেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের ফলাফল পর্যবেক্ষণ এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের মতো উদ্যোগ তাকে একজন ব্যতিক্রমধর্মী প্রশাসক হিসেবে পরিচিত করেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়া বলেন, “একজন ইউএনও এতটা কর্মঠ ও জনপ্রিয় হতে পারেন, উজ্জ্বল রায় তার উজ্জ্বল উদাহরণ। এলাকার মানুষ তাকে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেখছে।”
সেবা নিতে আসা কয়েকজন সাধারণ মানুষ বলেন, “তিনি অত্যন্ত ভদ্র, সৎ ও মানবিক একজন কর্মকর্তা। সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন।”
এ বিষয়ে ইউএনও উজ্জ্বল রায় বলেন, “আমি কাজে বিশ্বাসী। মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। দেশের জন্য কাজ করাই আমার লক্ষ্য। বাহুবলের মানুষের জন্য সবসময় কাজ করে যেতে চাই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করাই আমার দায়িত্ব। কোনো সমস্যা হলে মানুষ যেন নির্দ্বিধায় আমার কাছে আসে, সেটাই আমি চাই। আমার একটাই বার্তা— জনসেবাই জনপ্রশাসন।”
সচেতন মহলের মতে, বাহুবলের উন্নয়ন ও সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক প্রশাসক হিসেবে ইউএনও উজ্জ্বল রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

আপনার মতামত লিখুন