নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানাধীন কলাবাড়িয়া গ্রাম থেকে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মিলন লাকী মীর (৪৬) এবং আবু হুরায়রা তালুকদার ওরফে আবু তালুকদার (৩০)। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া একাধিক গুরুতর ফৌজদারি মামলার তথ্যও প্রকাশ্যে এসেছে।
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম জানান, এই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চুরি, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার এবং বিস্ফোরক আইনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৪ মে) রাত সাড়ে ৩টার দিকে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে নড়াগাতী থানার একাধিক টিম অংশ নেয় এবং দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালিত হয়।
মিলন লাকী মীর (পিতা: আশরাফ আলী মীর)-এর বিরুদ্ধে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার সাভার থানায় ২০২৩ সালের ১৩ মে দায়ের হওয়া একটি মামলায় (এফআইআর নং-৫০, জি আর নং-৩৭০) দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৪২, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ৩৮৫, ৩৮৬ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০২১ সালে খুলনার তেরখাদা থানায় দণ্ডবিধির ৩১৬ ধারায় মামলা, ২০২০ সালে নড়াগাতী থানায় ৪৫৮, ৩৮০ ও ৩৮২ ধারায় মামলা এবং ২০১৬ সালে একাধিক মামলায় ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ১১৪ ও ৩৯৫, ৩৯৭ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। আরও জানা যায়, ২০১১ সালে তার বিরুদ্ধে হত্যা (৩০২/৩৪) ও বিস্ফোরক আইনে একটি গুরুতর মামলা দায়ের হয়েছিল।
অন্যদিকে, আবু হুরায়রা তালুকদার (পিতা: টিপু তালুকদার)-এর বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে। ২০১৪ সালে নড়াগাতী থানায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬ ও ১১৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়। এছাড়া ২০১৫ সালে একই থানায় অস্ত্র আইনের ১৯(৪) ধারায় একটি মামলা এবং দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় আরেকটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে কিছু বিচারাধীন এবং কিছু মামলার তদন্ত এখনো চলমান। তাদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানাধীন কলাবাড়িয়া গ্রাম থেকে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মিলন লাকী মীর (৪৬) এবং আবু হুরায়রা তালুকদার ওরফে আবু তালুকদার (৩০)। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া একাধিক গুরুতর ফৌজদারি মামলার তথ্যও প্রকাশ্যে এসেছে।
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম জানান, এই দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চুরি, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার এবং বিস্ফোরক আইনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৪ মে) রাত সাড়ে ৩টার দিকে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে নড়াগাতী থানার একাধিক টিম অংশ নেয় এবং দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালিত হয়।
মিলন লাকী মীর (পিতা: আশরাফ আলী মীর)-এর বিরুদ্ধে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার সাভার থানায় ২০২৩ সালের ১৩ মে দায়ের হওয়া একটি মামলায় (এফআইআর নং-৫০, জি আর নং-৩৭০) দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৪২, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ৩৮৫, ৩৮৬ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০২১ সালে খুলনার তেরখাদা থানায় দণ্ডবিধির ৩১৬ ধারায় মামলা, ২০২০ সালে নড়াগাতী থানায় ৪৫৮, ৩৮০ ও ৩৮২ ধারায় মামলা এবং ২০১৬ সালে একাধিক মামলায় ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ১১৪ ও ৩৯৫, ৩৯৭ ধারায় অভিযোগ রয়েছে। আরও জানা যায়, ২০১১ সালে তার বিরুদ্ধে হত্যা (৩০২/৩৪) ও বিস্ফোরক আইনে একটি গুরুতর মামলা দায়ের হয়েছিল।
অন্যদিকে, আবু হুরায়রা তালুকদার (পিতা: টিপু তালুকদার)-এর বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে। ২০১৪ সালে নড়াগাতী থানায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬ ও ১১৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়। এছাড়া ২০১৫ সালে একই থানায় অস্ত্র আইনের ১৯(৪) ধারায় একটি মামলা এবং দণ্ডবিধির ৩৯৯ ও ৪০২ ধারায় আরেকটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে কিছু বিচারাধীন এবং কিছু মামলার তদন্ত এখনো চলমান। তাদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।
গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন