নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার কুলশুর গ্রামে অনুমোদনহীনভাবে নকল শিশু খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে একটি কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে কারখানার মালিককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ ভেজাল পণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যেতে পারে) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস। অভিযানে সহায়তা করে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর এবং স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, কুলশুর গ্রামের একটি জুস ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন ছাড়াই শিশু খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছিল। কারখানার পরিবেশ ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া উৎপাদিত পণ্যের মান, উপাদান ও প্যাকেজিংয়ে ছিল গুরুতর অনিয়ম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানার মালিক কুলশুর গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে মো. শামীম মোল্লাকে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ৪১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এ সময় কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ নকল শিশু খাদ্য, কাঁচামাল এবং উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস বলেন, “শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার কুলশুর গ্রামে অনুমোদনহীনভাবে নকল শিশু খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে একটি কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে কারখানার মালিককে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ ভেজাল পণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যেতে পারে) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস। অভিযানে সহায়তা করে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর এবং স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, কুলশুর গ্রামের একটি জুস ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন ছাড়াই শিশু খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের প্রস্তুতি চলছিল। কারখানার পরিবেশ ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া উৎপাদিত পণ্যের মান, উপাদান ও প্যাকেজিংয়ে ছিল গুরুতর অনিয়ম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানার মালিক কুলশুর গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে মো. শামীম মোল্লাকে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ৪১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এ সময় কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ নকল শিশু খাদ্য, কাঁচামাল এবং উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস বলেন, “শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ধরনের অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন