বগুড়া শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাম্প্রতিক উদ্যোগ নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
সোমবার (৪ মে) থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদে শুরু হওয়া এই অভিযান ইতোমধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে।
বিশেষ করে শহরের ব্যস্ততম এলাকা সাতমাথা, বনানী ও থানা রোডে ট্রাফিক পুলিশের সক্রিয় উপস্থিতি নগরবাসীর নজরে এসেছে। এসব এলাকায় নিয়মিত টহল, গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই, অবৈধভাবে দাঁড়ানো যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া- সব মিলিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা স্পষ্ট।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলছেন, শুধুমাত্র প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; চালক ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করা এবং সড়কে নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখলে যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
তবে বাস্তবতা হলো, এ ধরনের অভিযান অনেক সময় শুরুতে জোরালো থাকলেও পরে শিথিল হয়ে যায়। তাই নগরবাসীর প্রত্যাশা- এই কার্যক্রম যেন সাময়িক না হয়ে ধারাবাহিকভাবে চালু থাকে। নিয়মিত নজরদারি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা একসঙ্গে কাজ করলে বগুড়া শহর ধীরে ধীরে যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হতে পারে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বগুড়া শহরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে জেলা ট্রাফিক পুলিশের সাম্প্রতিক উদ্যোগ নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
সোমবার (৪ মে) থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদে শুরু হওয়া এই অভিযান ইতোমধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে।
বিশেষ করে শহরের ব্যস্ততম এলাকা সাতমাথা, বনানী ও থানা রোডে ট্রাফিক পুলিশের সক্রিয় উপস্থিতি নগরবাসীর নজরে এসেছে। এসব এলাকায় নিয়মিত টহল, গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই, অবৈধভাবে দাঁড়ানো যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া- সব মিলিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা স্পষ্ট।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলছেন, শুধুমাত্র প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; চালক ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করা এবং সড়কে নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখলে যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
তবে বাস্তবতা হলো, এ ধরনের অভিযান অনেক সময় শুরুতে জোরালো থাকলেও পরে শিথিল হয়ে যায়। তাই নগরবাসীর প্রত্যাশা- এই কার্যক্রম যেন সাময়িক না হয়ে ধারাবাহিকভাবে চালু থাকে। নিয়মিত নজরদারি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা একসঙ্গে কাজ করলে বগুড়া শহর ধীরে ধীরে যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন