বান্দরবান পার্বত্য জেলার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ইসলামপুর এলাকায় বসবাসরত অসহায় বিধবা নারী কুলসুমা বেগমের জীবনে মানবিক সহায়তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বান্দরবান সেনাজোন। দীর্ঘদিন ধরে চরম দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটানো এই নারী তার সন্তানদের নিয়ে একটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন।
ঝড়-বৃষ্টি হলেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় দিন কাটত তার। নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে প্রতিটি রাতই ছিল আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় ভরা। জীবনের এই কঠিন বাস্তবতায় তিনি হয়ে পড়েন সম্পূর্ণ অসহায়, পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না।
ঠিক এমন সময় মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেয় বান্দরবান সেনাজোন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সেনাজোনের সম্মানিত জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হুমায়ুন রশীদ, পিএসসি-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে দ্রুত সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
জোন কমান্ডারের আন্তরিক তত্ত্বাবধান ও মানবিক নেতৃত্বে অসহায় এই নারীর জন্য নতুন ঘর নির্মাণের লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে খুব শিগগিরই তার জন্য একটি নিরাপদ বাসস্থান নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
এই সহায়তা কেবল একটি ঘর নির্মাণেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কুলসুমা বেগমের জীবনে নতুন করে বেঁচে থাকার আশা ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছে। দীর্ঘদিনের কষ্ট ও অনিশ্চয়তার পর এই উদ্যোগ তার জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত কুলসুমা বেগম বলেন, “আমার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না। আমি একেবারেই অসহায় ছিলাম। বান্দরবান সেনাজোন আমার জীবনে আলোর মতো এসেছে। তাদের এই সহায়তা আমি কখনো ভুলব না।”
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসীও সেনাজোনের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, দেশের যেকোনো সংকটে যেমন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, তেমনি সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়ে তারা মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু একটি পরিবারকে সহায়তা করে না, বরং সমাজে সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়। বান্দরবান সেনাজোনের এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করেছে—দেশের মানুষ বিপদে পড়লে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় তাদের পাশে থাকে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বান্দরবান পার্বত্য জেলার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ইসলামপুর এলাকায় বসবাসরত অসহায় বিধবা নারী কুলসুমা বেগমের জীবনে মানবিক সহায়তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বান্দরবান সেনাজোন। দীর্ঘদিন ধরে চরম দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটানো এই নারী তার সন্তানদের নিয়ে একটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন।
ঝড়-বৃষ্টি হলেই ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় দিন কাটত তার। নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে প্রতিটি রাতই ছিল আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় ভরা। জীবনের এই কঠিন বাস্তবতায় তিনি হয়ে পড়েন সম্পূর্ণ অসহায়, পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না।
ঠিক এমন সময় মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেয় বান্দরবান সেনাজোন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সেনাজোনের সম্মানিত জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হুমায়ুন রশীদ, পিএসসি-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে দ্রুত সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
জোন কমান্ডারের আন্তরিক তত্ত্বাবধান ও মানবিক নেতৃত্বে অসহায় এই নারীর জন্য নতুন ঘর নির্মাণের লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে খুব শিগগিরই তার জন্য একটি নিরাপদ বাসস্থান নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
এই সহায়তা কেবল একটি ঘর নির্মাণেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কুলসুমা বেগমের জীবনে নতুন করে বেঁচে থাকার আশা ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছে। দীর্ঘদিনের কষ্ট ও অনিশ্চয়তার পর এই উদ্যোগ তার জীবনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।
সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত কুলসুমা বেগম বলেন, “আমার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ ছিল না। আমি একেবারেই অসহায় ছিলাম। বান্দরবান সেনাজোন আমার জীবনে আলোর মতো এসেছে। তাদের এই সহায়তা আমি কখনো ভুলব না।”
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসীও সেনাজোনের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, দেশের যেকোনো সংকটে যেমন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, তেমনি সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়ে তারা মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু একটি পরিবারকে সহায়তা করে না, বরং সমাজে সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়। বান্দরবান সেনাজোনের এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করেছে—দেশের মানুষ বিপদে পড়লে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় তাদের পাশে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন