বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় ‘কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন’ কর্মসূচির আওতায় উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির অর্ধবার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)-এর সহযোগিতা এবং সুইডেন সরকারের অর্থায়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন)-এর বাস্তবায়নাধীন ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের আওতায় সভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাজমিন আলম তুলি’র সভাপতিত্বে সভায় গত ছয় মাসে আইনি সহায়তা কার্যক্রমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভা সঞ্চালনা করেন ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার অংচউ মারমা।
সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন ৩নং আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, ৪নং নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মারমা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এহসানুল হক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মেহেদী জামান, রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নুচিংপ্রু এবং ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের সমন্বয়কারী অম্লান চাকমা।
সভায় বক্তারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আইনি অধিকার নিশ্চিতকরণে লিগ্যাল এইড সেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত জনগণের জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এবং আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নের বিষয়টিকেও গুরুত্ব সহকারে আলোচনায় আনা হয়।
গ্রাউস-এর প্রতিনিধিরা ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, সফলতা এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা প্রাপ্তি সহজতর করা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে রোয়াংছড়ি উপজেলায় আইনি সহায়তা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় ‘কমিউনিটি ভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন’ কর্মসূচির আওতায় উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির অর্ধবার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)-এর সহযোগিতা এবং সুইডেন সরকারের অর্থায়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন)-এর বাস্তবায়নাধীন ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের আওতায় সভার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাজমিন আলম তুলি’র সভাপতিত্বে সভায় গত ছয় মাসে আইনি সহায়তা কার্যক্রমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভা সঞ্চালনা করেন ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার অংচউ মারমা।
সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন ৩নং আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বনাথ তঞ্চঙ্গ্যা, ৪নং নোয়াপতং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চনুমং মারমা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এহসানুল হক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মেহেদী জামান, রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবীর, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নুচিংপ্রু এবং ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের সমন্বয়কারী অম্লান চাকমা।
সভায় বক্তারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আইনি অধিকার নিশ্চিতকরণে লিগ্যাল এইড সেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত জনগণের জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর আইনি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নারীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এবং আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নের বিষয়টিকেও গুরুত্ব সহকারে আলোচনায় আনা হয়।
গ্রাউস-এর প্রতিনিধিরা ‘ক্রিয়া’ প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, সফলতা এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনি সহায়তা প্রাপ্তি সহজতর করা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে রোয়াংছড়ি উপজেলায় আইনি সহায়তা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে এবং জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

আপনার মতামত লিখুন