গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন, "অনেকে মনে করেছে এই সুযোগে একাত্তরকে মুছে দিয়ে চব্বিশকে সামনে নিয়ে আসবে। আমি তাদেরকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে দিতে চাই—একাত্তর আমার মুক্তিযুদ্ধ, একাত্তর আমার স্বাধীনতা। এই একাত্তরই আমার আগামী দিনের পথচলার প্রেরণা।"
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে এস এম জিলানী একাত্তরের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, যারা একাত্তরকে মুছে দিতে চায় তারা আসলে দেশের রাজনৈতিক অস্তিত্বকেই অস্বীকার করছে। তিনি আরও বলেন:
একাত্তর ও জিয়াউর রহমান: একাত্তর না থাকলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থাকতেন না।
বিএনপির রাজনীতি: একাত্তরের চেতনা ছাড়া বিএনপির রাজনীতির কোনো ভিত্তি নেই।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: একইভাবে একাত্তর না থাকলে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের রাজনীতিও থাকত না।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা একাত্তরকে সামনে রেখে চব্বিশকে ধারণ করতে চাই। এর বাইরে চিন্তা করার কোনো অবকাশ নেই।"
জনসভা শেষে এস এম জিলানী সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কোনের ভিটা গ্রামে 'জয় হরি সেবাশ্রমে' একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আমি সুখে-দুখে আপনাদের পাশে আছি এবং আগামীতেও থাকতে চাই। আপনারা আমাকে একবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ করে দিন। আমি নির্বাচিত হলে কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াকে শান্তি ও সম্প্রীতির আবাসভূমি হিসেবে গড়ে তুলবো।"
বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খবির উদ্দিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন, "অনেকে মনে করেছে এই সুযোগে একাত্তরকে মুছে দিয়ে চব্বিশকে সামনে নিয়ে আসবে। আমি তাদেরকে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলে দিতে চাই—একাত্তর আমার মুক্তিযুদ্ধ, একাত্তর আমার স্বাধীনতা। এই একাত্তরই আমার আগামী দিনের পথচলার প্রেরণা।"
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে এস এম জিলানী একাত্তরের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, যারা একাত্তরকে মুছে দিতে চায় তারা আসলে দেশের রাজনৈতিক অস্তিত্বকেই অস্বীকার করছে। তিনি আরও বলেন:
একাত্তর ও জিয়াউর রহমান: একাত্তর না থাকলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থাকতেন না।
বিএনপির রাজনীতি: একাত্তরের চেতনা ছাড়া বিএনপির রাজনীতির কোনো ভিত্তি নেই।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: একইভাবে একাত্তর না থাকলে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের রাজনীতিও থাকত না।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা একাত্তরকে সামনে রেখে চব্বিশকে ধারণ করতে চাই। এর বাইরে চিন্তা করার কোনো অবকাশ নেই।"
জনসভা শেষে এস এম জিলানী সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের কোনের ভিটা গ্রামে 'জয় হরি সেবাশ্রমে' একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আমি সুখে-দুখে আপনাদের পাশে আছি এবং আগামীতেও থাকতে চাই। আপনারা আমাকে একবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ করে দিন। আমি নির্বাচিত হলে কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়াকে শান্তি ও সম্প্রীতির আবাসভূমি হিসেবে গড়ে তুলবো।"
বান্ধাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খবির উদ্দিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন