আসন্ন ঈদুল আজহার পশুর হাট ও কেনাকাটার ভিড়কে লক্ষ্য করে বাজারে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার এক ভয়াবহ চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ ১৪ মে ২০২৬ বুধবার রাজধানী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে একটি জাল টাকা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এই অভিযানে জাল নোট ছাপানো ও বাজারজাত করার মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. মজিবুর রহমান (৩৮), মো. দুলাল মৃধা (৪০) ও মো. মামুন (২৫)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি বিশেষ দল প্রথমে উত্তরা পূর্ব থানার সমবায় বাজার এলাকা থেকে চক্রের প্রধান মজিবুর রহমানকে আটক করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় একটি ভাড়ায় নেওয়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেই বাসা থেকেই মূলত আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জাল টাকা তৈরির কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছিল। অভিযানে কারখানাটি থেকে নগদ ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোটের আধিক্য ছিল। এছাড়া জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত তিনটি অত্যাধুনিক কালার প্রিন্টার, একটি ল্যাপটপ, বিপুল পরিমাণ জাল নোট তৈরির বিশেষ সাদা কাগজ, নিরাপত্তা সুতা বা সিকিউরিটি ট্যাগ, জলছাপ দেওয়ার ডাইস এবং রঙ করার কেমিক্যাল জব্দ করা হয়েছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছে যে, ঈদ উপলক্ষে পশুর হাটে গরু কেনাবেচার সময় এবং শপিং মলগুলোতে মানুষের তীব্র ভিড়কে কাজে লাগিয়ে তারা কোটি কোটি টাকার জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিল। মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই চক্রটি দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের বিশ্বস্ত ডিলারদের মাধ্যমে এই জাল নোটগুলো সরবরাহ করে আসছিল। এমনকি তারা নোটগুলোকে নিখুঁত দেখাতে প্রেসের দক্ষ কারিগরদেরও এই কাজে নিয়োগ দিয়েছিল। বর্তমানে গ্রেফতারকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে উত্তরা পূর্ব থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই জাল নোট চক্রের পেছনের বড় বিনিয়োগকারী ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের পুরো নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ বিভাগ। জনসাধারণের প্রতি বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, আসন্ন কোরবানি ঈদে বড় অংকের টাকা লেনদেনের সময় যেন সবাই নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো ভালোভাবে যাচাই করে নেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহার পশুর হাট ও কেনাকাটার ভিড়কে লক্ষ্য করে বাজারে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার এক ভয়াবহ চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ ১৪ মে ২০২৬ বুধবার রাজধানী ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালিয়ে একটি জাল টাকা তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এই অভিযানে জাল নোট ছাপানো ও বাজারজাত করার মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. মজিবুর রহমান (৩৮), মো. দুলাল মৃধা (৪০) ও মো. মামুন (২৫)। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি বিশেষ দল প্রথমে উত্তরা পূর্ব থানার সমবায় বাজার এলাকা থেকে চক্রের প্রধান মজিবুর রহমানকে আটক করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় একটি ভাড়ায় নেওয়া বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেই বাসা থেকেই মূলত আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জাল টাকা তৈরির কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছিল। অভিযানে কারখানাটি থেকে নগদ ৩৪ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোটের আধিক্য ছিল। এছাড়া জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত তিনটি অত্যাধুনিক কালার প্রিন্টার, একটি ল্যাপটপ, বিপুল পরিমাণ জাল নোট তৈরির বিশেষ সাদা কাগজ, নিরাপত্তা সুতা বা সিকিউরিটি ট্যাগ, জলছাপ দেওয়ার ডাইস এবং রঙ করার কেমিক্যাল জব্দ করা হয়েছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছে যে, ঈদ উপলক্ষে পশুর হাটে গরু কেনাবেচার সময় এবং শপিং মলগুলোতে মানুষের তীব্র ভিড়কে কাজে লাগিয়ে তারা কোটি কোটি টাকার জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিল। মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এই চক্রটি দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের বিশ্বস্ত ডিলারদের মাধ্যমে এই জাল নোটগুলো সরবরাহ করে আসছিল। এমনকি তারা নোটগুলোকে নিখুঁত দেখাতে প্রেসের দক্ষ কারিগরদেরও এই কাজে নিয়োগ দিয়েছিল। বর্তমানে গ্রেফতারকৃত তিনজনের বিরুদ্ধে উত্তরা পূর্ব থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই জাল নোট চক্রের পেছনের বড় বিনিয়োগকারী ও মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের পুরো নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ বিভাগ। জনসাধারণের প্রতি বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, আসন্ন কোরবানি ঈদে বড় অংকের টাকা লেনদেনের সময় যেন সবাই নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো ভালোভাবে যাচাই করে নেন।

আপনার মতামত লিখুন